Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

ব্রিটেনে অভিবাসীদের জন্য আইন আরও কঠোর হচ্ছে

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ৫৬
ব্রিটেনে অভিবাসীদের জন্য আইন আরও কঠোর হচ্ছে

ব্রিটেনে অভিবাসীদের জন্য কঠোর আইন করতে চলেছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন এবং সাপ্তাহিক ভাতার মতো সহায়তা প্রদান বাতিল করা হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

লেবার পার্টি অভিবাসন নীতি কঠোর করার অন্যতম কারণ হিসেবে ফ্রান্স থেকে ছোট নৌকায় অবৈধ পারাপারের বিষয়টিকে দায়ী করে।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, “বিপদ থেকে পালিয়ে আসা লোকদের স্বাগত জানানোর ঐতিহ্য এই দেশের আছে। আমাদের উদারতা অবৈধ অভিবাসীদের আকর্ষণ করছে। অভিবাসনের গতি এবং মাত্রা দেশের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শাবানা মাহমুদ আরও জানান, আইনটি সেইসব আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর প্রযোজ্য হবে, যারা কাজ করতে চায় না এবং আইন ভঙ্গ করে।

ব্রিটেনের রিফিউজি কাউন্সিল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ জানায়, শরণার্থীরা বিপদ থেকে পালানোর সময় আশ্রয় দেশগুলোর তুলনা করে না এবং তারা পারিবারিক বন্ধন, এবং ইংরেজির দক্ষতার কারণে যুক্তরাজ্যে আসেন। যা তাদের নিরাপদে নতুন করে শুরু করতে সাহায্য করে।

ব্রিটেনের নতুন পদক্ষেপগুলো ডেনমার্কের অভিবাসন নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংস্কারগুলো কেবল ডেনমার্ক নয়, বরং ইউরোপীয় দেশগুলো থেকেও নেওয়া হবে। আইনে শরণার্থীর অস্থায়ী মর্যাদা এবং সহায়তা শর্তসাপেক্ষ থাকবে। কিছুক্ষেত্রে আইনগুলো ইউরোপীয় ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়িয়ে যাবে।

ডেনমার্ক সরকার অভিবাসীদের ২ বছরের জন্য অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেয় এবং মেয়াদ শেষ হলে তাদের পুনরায় আবেদন করতে হয়। যদি ডেনিশ সরকার তাদের নিজ দেশকে নিরাপদ বলে মনে করে, তবে আশ্রয়প্রার্থীদের দেশে ফেরত পাঠাতে পারে। ডেনিশ নাগরিকত্বের পথও দীর্ঘ এবং কঠিন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবার একত্রীকরণের জন্য কঠোর নিয়ম করা হয়েছে।

২০১৬ সালে ডেনিশ কর্তৃপক্ষকে আশ্রয়প্রার্থীদের খরচ মেটানোর জন্য তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র জব্দ করার অনুমতি দেওয়া হয়।

ব্রিটেন সরকার নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আশ্রয় দেয়, যারা প্রমাণ করতে পারে তারা নিজ দেশে নিরাপদ নন। যেসব অভিবাসী নিপীড়নের ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হয়। এই মর্যাদা ৫ বছরের জন্য স্থায়ী হয়। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করলে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারে অভিবাসীরা।

তবে ডেনমার্ক এক দশকের বেশি সময় ধরে কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য পরিচিত। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আশ্রয়প্রতাশীর সংখ্যা ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং প্রত্যাখ্যাত আবেদনকারীদের ৯৫ শতাংশকে অপসারণ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের শুরুতে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ডেনমার্কে ভ্রমণ করেন। পরিদর্শনকালে তারা ডেনমার্ক সরকারের আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর আইন পর্যালোচনা করেন।

বিষয়: ব্রিটেনবিবৃতিঅভিবাসন নীতিস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীডেনমার্কঅভিবাসন আইন
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।