Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কে কোন দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১: ২৭
ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কে কোন দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য রপ্তানির ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন, তার জেরে সবচয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাই। যে দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেশি ব্যবসা-বাণিজ্য করে, পাল্টা শুল্কের প্রভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকেরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশগুলোর বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ মিত্র। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দীর্ঘদিন ধরে চীনের বিকল্প হয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল এবং অনেকাংশে তারা সফলও হয়েছে। চীনের মতো সক্ষমতা তারা অর্জন করতে পারেনি ঠিকই, কিন্তু জুতা, ইলেকট্রনিকস ও ব্যাগের মতো পণ্য উৎপাদনে তারা চীনের বিকল্প হয়ে উঠেছিল। আর এসব দেশে উৎপাদিত পণ্যের বেশির ভাগেরই গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য–ঘাটতি বেশি এবং পরিণামে শুল্কের খড়্গ মূলত তাদের ওপরই বেশি নেমে এসেছে।

ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ছাড়াও আরও যেসব দেশের পণ্যে উচ্চহারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে সেগুলো হলো চীন, জাপান, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এই দেশগুলোর সুবিধা হলো, রপ্তানির জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেমন একটা নির্ভরশীল নয়; তা সত্ত্বেও পাল্টা শুল্কের কারণে এই দেশগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিয়েতনাম তাদের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিরি আকারের ২৯ শতাংশের সমপরিমাণ মূল্যের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। কম্বোডিয়া করে ২৭ শতাংশ; নিকারাগুয়া করে ২৪ শতাংশ; গায়ানা করে ২৩ শতাংশ; তাইওয়ান ১৫ শতাংশ, থাইল্যান্ড ১২ শতাংশ; মালয়েশিয়া ১২ শতাংশ; দক্ষিণ কোরিয়া ৭ শতাংশ; সুইজারল্যান্ড ৭ শতাংশ; জর্ডান ১২ শতাংশ ও ভেনেজুয়েলা ৬ শতাংশ।

ভিয়েতনামের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৪৬ শতাংশ শুল্ক, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯ শতাংশ শুল্ক, নিকারাগুয়ার ওপর ১৯ শতাংশ, গায়ানার ওপর ৩৮ শতাংশ, তাইওয়ানের ওপর ৩২ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ওপর ৩৭ শতাংশ, মালয়েশিয়ার ওপর ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ২৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের ওপর ৩২ শতাংশ, জর্ডানের ওপর ২০ শতাংশ ও ভেনেজুয়োর ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

আবার যেসব দেশ রপ্তানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়, তারাও ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে মার খাবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ। নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, এই শুল্কের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে। পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে। বিনিয়োগের প্রবাহ যাবে কমে এবং কমবে অর্থনৈতিক তৎপরতা। তার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে কর্মসংস্থানও কমে যাবে।

যেসব দেশের পণ্যে উচ্চশুল্ক আরোপিত হয়নি, সেইসব দেশও বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে পড়বে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলেন, এ সিদ্ধান্তে বিশ্ববাণিজ্যে একধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে। চীনা কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বদলে ইউরোপের বাজার সস্তা চীনা পণ্যে সয়লাব হয়ে যেতে পারে।

অন্য দেশের মধ্যে ইসরায়েল তাদের জিডিপির আকারের ৪ শতাংশের সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে; তাদের ওপর আরোপ করা হয়েছে ১৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক। জাপান তাদের জিডিপির ৪ শতাংশের সমমূল্যের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। জাপানের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ২৪ শতাংশ। দক্ষিণ আফ্রিকা করে তাদের জিডিপির আকারের ৪ শতাংশের সমমূল্যের রপ্তানি; তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩১ শতাংশ পাল্টা শুল্ক। শ্রীলঙ্কাও তাদের জিডিপির ৪ শতাংশের সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে; তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৪৪ শতাংশ শুল্ক।

তবে এবারের ঘোষণার ট্রাম্প মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যে নতুন করে কোনো শুল্ক আরোপ করেননি। এই দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। তাদের পণ্যে ইতিমধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ রয়েছে।

বিষয়: জাপানযুক্তরাষ্ট্রকম্বোডিয়াথাইল্যান্ডকানাডাঅর্থনীতিচীনইউরোপীয় ইউনিয়নবাণিজ্যযুদ্ধভিয়েতনামমেক্সিকোভারতশ্রীলঙ্কা
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।