Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার তিনটি কৌশল জেনে নিন

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ৪৪
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার তিনটি কৌশল জেনে নিন

ভালোবাসা মানেই এখন বড় আয়োজন। ক্যান্ডল লাইট ডিনার, দামি উপহার বা সারপ্রাইজ ট্রিপ। কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরভাবে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে জরুরি হলো দৈনন্দিন ছোট ছোট ভালোবাসা। এই ধারণাকেই বলা হচ্ছে ‘মাইক্রো–রোমান্স’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সম্প্রতি ফোর্বসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মনোবিজ্ঞানী মার্ক ট্রাভার্স জানান, বড় আয়োজন নয়–বরং প্রতিদিনের সামান্য যত্ন, মনোযোগ ও উপস্থিতি দাম্পত্য সম্পর্কে গভীরতা আনে।

একে অপরকে খেয়াল করা

সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় তখনই, যখন মানুষ একে অপরের দিকে মনোযোগ কমিয়ে দেয়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সঙ্গীর কথা বলার ভঙ্গি, হাসি, পছন্দ–এসব জিনিস খেয়াল করা সম্পর্ককে উষ্ণ করে তোলে। একটি সাধারণ বাক্য, ‘তুমি হাসলে ঘরটা আলোকিত হয়ে যায়’– সম্পর্কে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ছোট ছোট প্রশংসা করা

এটি শুধু ’ধন্যবাদ’ বলার বিষয় নয়, বরং পার্টনারের ছোট ছোট প্রচেষ্টা ও উপস্থিতিকে মূল্য দেওয়া। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সম্পর্ক সুখী রাখতে প্রতিটি নেতিবাচক মুহূর্তের বিপরীতে পাঁচটি ইতিবাচক মুহূর্ত তৈরি করতে হয়। তাই রান্না করা, সাহায্য করা বা পাশে থাকা–এসবের জন্য এক লাইনের প্রশংসাও খুব কার্যকর।

আবেগিকভাবে উপস্থিত থাকা

সঙ্গী কথা বললে মনোযোগ দিয়ে শোনা, একটু বিরতি নিয়ে বোঝার চেষ্টা করা এবং সুযোগ হলে হাত ধরা–এসব ছোট আচরণ মানসিক নিরাপত্তা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, এমন আবেগিক উপস্থিতি দাম্পত্য সম্পর্ককে অনেক বেশি স্থিতিশীল করে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ফুল, ডিনার বা সারপ্রাইজ অবশ্যই ভালো, কিন্তু সম্পর্ক টিকে থাকে প্রতিদিনের জমা হওয়া ছোট ছোট ভালোবাসার মুহূর্তে। এই ছোট যত্নই হলো স্থায়ী ভালোবাসার মূল শক্তি।

বিষয়: রোমান্টিকসম্পর্কমনোবিজ্ঞানীবিশেষজ্ঞভালোবাসা
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।