Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

প্যারাসিটামল বেশি খেলে কী হয়?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৪৫
প্যারাসিটামল বেশি খেলে কী হয়?

এমন খুব কম বাসাবাড়িই আছে, যেখানে খুঁজলে প্যারাসিটামল পাওয়া যাবে না। রান্নাঘরের লবণের মতোই সাধারণ একটি জিনিস এই ওষুধ। জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, সাইনাসের অস্বস্তি, এমনকি টিকা নেওয়ার পরের অসুস্থতাতেও নিয়মিত খাওয়া হয় প্যারাসিটামল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু আমরা কি এই ট্যাবলেটগুলো খুব বেশি হালকাভাবে নিচ্ছি? সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, হ্যাঁ। আর এর পরিণতি অনেকের ধারণার চেয়েও গুরুতর হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালের ড্রাগ ইনফরমেশন সেন্টারের ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট ডা. কপিল আদওয়ানি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, “চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যায় বলে অনেকেই মনে করেন প্যারাসিটামল একেবারে ক্ষতিকর নয়। কিন্তু শরীর সব মনে রাখে। নিয়মিত সেবনে ধীরে ধীরে লিভারের ক্ষতি, কিডনির ওপর চাপ, এমনকি রক্তচাপের সমস্যাও তৈরি হতে পারে।”

এই নিরাপদ ওষুধ কীভাবে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্যারাসিটামল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধগুলোর একটি। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ সীমা ৪ গ্রাম (প্রায় আটটি ৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট)। এটি কিন্তু প্রতিদিন খাওয়ার পরামর্শ নয় বরং সর্বোচ্চ সীমা মাত্র। অনেকেই গুরুত্ব না দিয়ে সপ্তাহে একাধিকবার এটি খেয়ে থাকেন।

২০১৯ সালের একটি গবেষণা বলছে, নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্যারাসিটামল দীর্ঘমেয়াদে খেলে লিভার এনজাইমের মাত্রা বাড়াতে পারে, যা লিভারের ওপর চাপ সৃস্টি করতে পারে। যারা অ্যালকোহল পান করেন, আগে থেকেই লিভারের রোগ আছে বা যাদের ওজন খুব কম, তাদের জন্য ঝুঁকি আরও বেশি।

ডা. কপিল বলেন, ২০২২ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ৪ গ্রাম প্যারাসিটামল খাওয়ায় উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের রক্তচাপ আরও বেড়েছে।

তিনি ২০১৫ সালের একটি গবেষণার কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে নিয়মিত ২ থেকে ৪ গ্রাম প্যারাসিটামল খাওয়ার সঙ্গে পেটের সমস্যা এবং ৩ গ্রামের বেশি ডোজে গ্যাস্ট্রিক ব্লিডিংয়ের ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

প্যারাসিটামল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধগুলোর একটি। ছবি: ফ্রিপিক
প্যারাসিটামল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধগুলোর একটি। ছবি: ফ্রিপিক

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্যারাসিটামলের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার এখন হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকির সঙ্গেও যুক্ত। ২০১৯ সালের গবেষণায় কিডনি ক্ষতির বিষয়টিও নিশ্চিত হয়েছে।

গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল খেলে কি শিশু অটিস্টিক হয়?paracetamol-women

কাদের বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন?

প্যারাসিটামল সবার জন্য নিরাপদ মনে হলেও কিছু মানুষের অবশ্যই সতর্ক থাকা প্রয়োজন। যেমন:

  • লিভারের রোগী বা নিয়মিত অ্যালকোহল সেবনকারী
  • কম ওজনের মানুষ (৫০ কেজির কম)
  • কিডনির রোগী
  • গর্ভবতী নারী: দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের সঙ্গে ভ্রূণের হৃদযন্ত্রের বিকাশে ঝুঁকির সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে (২০১৯ সালের গবেষণা)
  • যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ (যেমন ওয়ারফারিন) খান

লুকানো প্যারাসিটামলের ঝুঁকি

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে একটি বড় সমস্যা হলো ‘হিডেন প্যারাসিটামল’। অনেক ঠান্ডা-কাশির ঔষধেও এটি থাকে। ফলে বুঝতে না পেরে কেউ দৈনিক ডোজ দ্বিগুণ বা তিনগুণ করে ফেলতে পারেন।

২০২১ সালের একটি রিভিউয়ের তথ্য উল্লেখ করে ডা. কপিল বলেন, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা যেমন পিঠ বা জয়েন্টের ব্যথায় প্যারাসিটামল খুব কার্যকর নয়। তবুও অনেকে বিকল্প ভালো পদ্ধতি উপেক্ষা করে এটি খেতে থাকেন।

তাহলে কী করা উচিত?

ডা. কপিলের পরামর্শ, “সত্যিকারে প্রয়োজন হলে তবেই প্যারাসিটামল নিন। সাধারণ জ্বর বা ব্যথায় অনেক সময় বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান বা ভেষজ চা-ই যথেষ্ট হতে পারে।”

এই চিকিৎসকের ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি, যোগব্যায়াম, হালকা ব্যায়াম বা চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের মতো নিরাপদ বিকল্প ভাবা যেতে পারে। ওষুধের লেবেল অবশ্যই পড়তে হবে এবং অন্য কোনো রোগের চিকিৎসা চললে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি।

তাই পরের বার প্যারাসিটামলের পাতা হাতে নেওয়ার আগে একটু থামুন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন- এটা কি সত্যিই দরকার? নাকি আপনার শরীর শুধু বিশ্রাম, পানি আর একটু ধৈর্য চাইছে?

বিষয়: চিকিৎসকস্বাস্থ্যপ্যারাসিটামলওষুধপরামর্শ
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।