চরচা প্রতিবেদক

২৬ ওভারে ১০১ রানে ৩ উইকেট থেকে ৪০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৭ রান — উইকেট বা শুধু ওভার আর রানের হিসাব করলে এটাকে টেস্ট ক্রিকেটের আদর্শ ব্যাটিং বলতেই পারেন। তবে লাঞ্চ বিরতির পর অহেতুক অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলতে গিয়ে প্রতিপক্ষকে যেন আক্রমণের আমন্ত্রণই জানালেন নাজমুল-মুশফিকরা। যদিও লিটন দাসের দায়িত্বশীল ইনিংসে কিছুটা হলেও ম্যাচে ফেরার আভাস মিলেছে।
অথচ তানজিদ হাসানকে একাদশে নিয়ে বাংলাদেশ বার্তা দিয়েছিল ইতিবাচক ক্রিকেটের। প্রথম সেশনে ওভারপ্রতি রান ছিল ৩.৮৮। তবে অদ্ভুত কারণে বিরতির পর থেকেই খোলসবন্দি হয়ে যায় দল। যেন রান করার চেয়ে ডট বল খেলে যাওয়াটাই মূল লক্ষ্য। উইকেট প্রথম দিনেই যেভাবে আচরণ করছে, সেখানে এভাবে ব্যাটিং যে বুমেরাং হতে পারে, সেটা খুব দ্রুতই বুঝিয়ে দেন পাকিস্তানের বোলাররা।
ফর্মের চূড়ায় থাকা নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিম ভালোভাবেই সেট হয়ে গেলেও মোহাম্মদ আব্বাস ও সাজিদ খানের বিপক্ষে ডিফেন্সিভ ক্রিকেটই চালিয়ে যান। প্রথম ছয় ওভারে যোগ হয় মাত্র ৪ রান! টেস্টে এটা হতেই পারে। তবে বর্তমানে এই ধরনের ব্যাটিং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই।
আব্বাসের অ্যাঙ্গেল করে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে নাজমুল (২৩) আউট হন দৃষ্টিকটুভাবে। ছেড়ে দেবেন নাকি শট খেলবেন, এই দ্বিধায় থেকে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপারের হাতে।
এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা খুররম শাহজাদ শুরু থেকেই ছন্দময় বোলিং করেছেন। তার স্বীকৃতি হিসেবে মুশফিকুরের (২৩) উইকেট পান তিনি। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান নিজের শেষ ৩ রান করতে খেলেন ২৫ বল। মেহেদি হাসান মিরাজও (৪) পারেননি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।
সেখান থেকে চা-বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬৮ রান হওয়ার মূল কৃতিত্ব লিটন (৪২*) ও তাইজুল ইসলামের (১১*) অবিচ্ছিন্ন ৫২ রানের জুটির। শুরুতে জড়তা থাকলেও ক্রমেই বড় শট খেলেছেন লিটন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বড় স্কোরের আশা অনেকটাই এখন টিকে আছে তার ওপরই।

২৬ ওভারে ১০১ রানে ৩ উইকেট থেকে ৪০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৭ রান — উইকেট বা শুধু ওভার আর রানের হিসাব করলে এটাকে টেস্ট ক্রিকেটের আদর্শ ব্যাটিং বলতেই পারেন। তবে লাঞ্চ বিরতির পর অহেতুক অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলতে গিয়ে প্রতিপক্ষকে যেন আক্রমণের আমন্ত্রণই জানালেন নাজমুল-মুশফিকরা। যদিও লিটন দাসের দায়িত্বশীল ইনিংসে কিছুটা হলেও ম্যাচে ফেরার আভাস মিলেছে।
অথচ তানজিদ হাসানকে একাদশে নিয়ে বাংলাদেশ বার্তা দিয়েছিল ইতিবাচক ক্রিকেটের। প্রথম সেশনে ওভারপ্রতি রান ছিল ৩.৮৮। তবে অদ্ভুত কারণে বিরতির পর থেকেই খোলসবন্দি হয়ে যায় দল। যেন রান করার চেয়ে ডট বল খেলে যাওয়াটাই মূল লক্ষ্য। উইকেট প্রথম দিনেই যেভাবে আচরণ করছে, সেখানে এভাবে ব্যাটিং যে বুমেরাং হতে পারে, সেটা খুব দ্রুতই বুঝিয়ে দেন পাকিস্তানের বোলাররা।
ফর্মের চূড়ায় থাকা নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিম ভালোভাবেই সেট হয়ে গেলেও মোহাম্মদ আব্বাস ও সাজিদ খানের বিপক্ষে ডিফেন্সিভ ক্রিকেটই চালিয়ে যান। প্রথম ছয় ওভারে যোগ হয় মাত্র ৪ রান! টেস্টে এটা হতেই পারে। তবে বর্তমানে এই ধরনের ব্যাটিং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই।
আব্বাসের অ্যাঙ্গেল করে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে নাজমুল (২৩) আউট হন দৃষ্টিকটুভাবে। ছেড়ে দেবেন নাকি শট খেলবেন, এই দ্বিধায় থেকে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপারের হাতে।
এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা খুররম শাহজাদ শুরু থেকেই ছন্দময় বোলিং করেছেন। তার স্বীকৃতি হিসেবে মুশফিকুরের (২৩) উইকেট পান তিনি। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান নিজের শেষ ৩ রান করতে খেলেন ২৫ বল। মেহেদি হাসান মিরাজও (৪) পারেননি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।
সেখান থেকে চা-বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬৮ রান হওয়ার মূল কৃতিত্ব লিটন (৪২*) ও তাইজুল ইসলামের (১১*) অবিচ্ছিন্ন ৫২ রানের জুটির। শুরুতে জড়তা থাকলেও ক্রমেই বড় শট খেলেছেন লিটন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বড় স্কোরের আশা অনেকটাই এখন টিকে আছে তার ওপরই।

গত ৯ মে আইজিপি আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক দুই আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়। আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (পুলিশ সুপার ফেনী হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত) মাহবুব আলম খান ১০ মে-এর মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করবেন। আরেক আদেশে বলা হয়, পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহ