ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ অনুমোদন

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ অনুমোদন
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম ছবি: বাসস

রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজ নিয়ে গঠিত হতে যাওয়া ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব বলেন, “আজকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৬’ অনুমোদিত হয়েছে। ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে একই একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চ শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসন এই অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য।”

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজকে নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠন হতে যাচ্ছে।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।”

প্রেস সচিব বলেন, “অধ্যাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলসহ পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামো রাখা হয়েছে। আচার্য হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।”

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। সবশেষ ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’করেও আন্দোলন করার ঘোষণা ছিল আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।

প্রেস সচিব বলেন, “অধ্যাদেশ অনুমোদনের ফলে ঢাকার উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থার একটি নতুন ধারা সূচিত হলো, যা ভবিষ্যতে দেশের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

সম্পর্কিত