উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে এশিয়ান কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫–০ গোলের হারের পরও শিষ্যদের কোনো দোষ দেন না কোচ পিটার বাটলার। বরং তিনি কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে মেয়েদের পারফরম্যান্সে দারুণ খুশি। ইংলিশ কোচের সন্তুষ্টির জায়গাটা অন্য জায়গায়। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর দলটির বিপক্ষে খেলে ঋতুপর্না, আফঈদাদের শেখাটাকেই অমূল্য মনে হচ্ছে তার কাছে।
“আজ আমরা সত্যিকারের একটি ফুটবল–শিক্ষা পেয়েছি। শক্তি ও কারিগরি দক্ষতায় তারা আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। আমাদের নিজেদের ঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। তবু মেয়েরা যা করেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত। তবে সামনে এগোতে হলে আমাদের এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।” ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন বাটলার।
৫–০ গোলের হার তবুও এই হারে লজ্জার কিছু নেই বলেই মনে করেন বাটলার। কেন সেটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন কোচ, “উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল একেবারেই অসম এক লড়াই। তারা এশিয়ার সেরাদের অন্যতম। হয়তো বা সেরা দলও। আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করতে পারিনি। এমন একটা দলের বিপক্ষে ৫–০, ৬–০ কিংবা ৭–০ গোলের হারেও লজ্জার কিছু নেই। মেয়েদের সমালোচনা করারও কিছু নেই। তারা তাদের সর্বোচ্চটাই ঢেলে দিয়েছে আজকের ম্যাচে।”
প্রতিপক্ষের শারীরিক সামর্থ্যের বিষয়টি উল্লেখ করে বাটলারের কথা, “তাদের শারীরিক শক্তি ও উপস্থিতি আমরা সামাল দিতে পারিনি। রোদে আমাদের কিছু খেলোয়াড় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। আমরা নিজেদের সেরা খেলাটাও খেলতে পারিনি।”
গোলকিপার মিলি আক্তারের আলাদা করেই বলেছেন বাটলার। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ দলের মুখ অনেকটাই রক্ষা করেছে। বাটলার মিলির লড়াইটাকে আলাদা করেই মূল্যায়ন করেছেন, “মিলি একজন যোদ্ধা। তার মধ্যে নরম দৃঢ়তা আর প্রবল উদ্যম রয়েছে। আজ তাকে কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। পা মাটিতে রাখলে তার সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।”