স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের বড় জয়ে জোড়া গোলে অবদান রেখে আরও একবার আলো কেড়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। একই ম্যাচে প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরেছেন নেইমার। রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের পারফরম্যান্সে বড় স্বপ্ন দেখছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
নেইমারের প্রত্যাবর্তনের দিনে ব্রাজিলের জয়ের নায়ক ভিনিসিয়ুসই। ৩-০ গোলে বড় অবদান রেখে দুই গোল করে দারুণ এক রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন। ব্রাজিলের ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচে গোলের কীর্তি গড়েছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে ভিনিসিয়ুসকে নিয়ে নেইমারের তাই বাড়তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, “ভিনি আমাদের দলের তারকা খেলোয়াড়। সে অবিশ্বাস্য ফর্মে আছে, পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। আমার বিশ্বাস বিশ্বকাপ যত এগিয়ে যাবে, ভিনি তত ভালো করবে।”
সবশেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জেতা ব্রাজিল এবার টুর্নামেন্ট শুরু করে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে। এরপর টানা দুই ম্যাচ জিতে শেষ পর্যন্ত কার্লো আনচেলত্তির দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দারুণ ছন্দে থাকা ব্রাজিল দলে নেইমারের উপস্থিতি যোগ করেছে বিশেষ মাত্রা।
নেইমারের চোখ তাই এখন শিরোপার দিকে, “আমি এটা (হেক্সা) জিততে চাই। শুধু আমিই না, পুরো দলই বিশ্বকাপ জিততে চায়। স্কোয়াডের সবার লক্ষ্য একটাই। আমরা যদি একতাবদ্ধ থাকি, তাহলে আমাদের লক্ষ্য অর্জনের ভালো একটা সুযোগ থাকবে।”
৭৬ মিনিটে বদলি হিসেবে নেইমার নামার আগেই ব্রাজিল এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। তিনি খুব বিশেষ কিছু না করতে পারলেও কোচ ও অন্য খেলোয়াড়দের কাছে নেইমারকে দলে পাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।
ভিনিসিয়ুস যেমন বলেছেন, “নেইমারের ফিরে আসা আমাদের সবার জন্য বিশাল ব্যাপার। কারণ সে আমাদের সবার আইডল।”
নেইমার বন্দনা ছিল ব্রুনো গিমিরেসের কণ্ঠেও, “নেইমার একজন তারকা, আমাদের সবার জন্য রোল মডেল। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব তিনি মাঠে নামলে সাহায্য করার জন্য। তিনি একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব। শুধু অসাধারণ খেলোয়াড়ই নন, তিনি অসাধারণ একজন মানুষও।”