চরচা প্রতিবেদক

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিজিএমইএ ইতোমধ্যে ১ লাখ সেট ড্রেস ও জুতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এ ছাড়া বিকেএমইএ, বিটিএমএ এবং বসুন্ধরা গ্রুপের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও এই মানবিক উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।
এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী জুলাই থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রমের পাইলটিং শুরু হচ্ছে।
মিলন বলেন, এই বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি দেশের বড় বড় ব্যবসায়ী সংগঠন ও শিল্প উদ্যোক্তারা ‘করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি’ (সিএসআর) এর আওতায় এগিয়ে এসেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির অধীনে দেশের প্রতিটি উপজেলার দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক সেট করে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের ব্যাগ দেওয়া হবে।
আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এই কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পরবর্তীতে মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্প্রসারণ করা হবে।”
ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই কর্মসূচির গুরুত্ব ও সরকারের সক্ষমতা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, পাটের ব্যাগ ও জুতা বিতরণের পূর্ণ সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। রাষ্ট্র যেহেতু বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই ও মিড-ডে মিল নিশ্চিত করছে। তাই এই নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করাও সরকারের জন্য কঠিন কিছু নয়।”
প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলার অন্তত দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এই সুবিধা দেওয়া হবে। সরকার ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, “পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রতিশ্রুত সংখ্যা অনুযায়ী স্কুলের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল শিক্ষার্থীকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। মূলত এই কর্মসূচি বাড়ানোর জন্যই বৈঠক করেছি।”
পোশাক ও ব্যাগের গুণগত মান নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে ব্যাগ ও পোশাকের ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। দেশের সকল ছেলে শিক্ষার্থীর জন্য একই ধরনের পোশাক ও ব্যাগ এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একই নকশার ড্রেস ও ব্যাগ থাকবে, যাতে কোনো বৈষম্য না থাকে।”

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিজিএমইএ ইতোমধ্যে ১ লাখ সেট ড্রেস ও জুতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এ ছাড়া বিকেএমইএ, বিটিএমএ এবং বসুন্ধরা গ্রুপের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও এই মানবিক উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।
এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী জুলাই থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রমের পাইলটিং শুরু হচ্ছে।
মিলন বলেন, এই বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি দেশের বড় বড় ব্যবসায়ী সংগঠন ও শিল্প উদ্যোক্তারা ‘করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি’ (সিএসআর) এর আওতায় এগিয়ে এসেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির অধীনে দেশের প্রতিটি উপজেলার দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক সেট করে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের ব্যাগ দেওয়া হবে।
আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এই কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পরবর্তীতে মাদ্রাসা ও ইবতেদায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্প্রসারণ করা হবে।”
ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই কর্মসূচির গুরুত্ব ও সরকারের সক্ষমতা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, পাটের ব্যাগ ও জুতা বিতরণের পূর্ণ সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। রাষ্ট্র যেহেতু বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই ও মিড-ডে মিল নিশ্চিত করছে। তাই এই নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করাও সরকারের জন্য কঠিন কিছু নয়।”
প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলার অন্তত দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এই সুবিধা দেওয়া হবে। সরকার ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, “পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রতিশ্রুত সংখ্যা অনুযায়ী স্কুলের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল শিক্ষার্থীকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। মূলত এই কর্মসূচি বাড়ানোর জন্যই বৈঠক করেছি।”
পোশাক ও ব্যাগের গুণগত মান নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে ব্যাগ ও পোশাকের ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। দেশের সকল ছেলে শিক্ষার্থীর জন্য একই ধরনের পোশাক ও ব্যাগ এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একই নকশার ড্রেস ও ব্যাগ থাকবে, যাতে কোনো বৈষম্য না থাকে।”

পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। পদোন্নতির দাবিতে শুরু হওয়া কর্মবিরতি, শাটডাউন এবং সর্বশেষ অসহযোগ কর্মসূচির কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অসহায় হয়ে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।