বরিশাল প্রতিনিধি

পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। কর্মবিরতি, শাটডাউন এবং সর্বশেষ অসহযোগ কর্মসূচির কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অসহায় হয়ে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষকরা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ এপ্রিল মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন আমরণ অনশন শুরু করেন।
পরে ২০ এপ্রিল তিনি অনশন ভাঙেন, এরপরই শিক্ষকদের পক্ষ থেকে কর্মবিরতি ও শাটডাউনের ঘোষণা আসে। এতে বন্ধ হয়ে যায় ক্লাস-পরীক্ষাসহ প্রায় সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৩ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আলোচনার পর তারা কেবল চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন, তবে নতুন ক্লাস বা অন্যান্য পরীক্ষা নিতে অস্বীকৃতি জানান। সবশেষ গতকাল অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে , এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে মারাত্মক সেশনজটের আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো.রাজিব চরচাকে বলেন, “অন্য বিভাগের সহপাঠীদের থেকে আমাদের ব্যাচটা একটু পেছানো ছিল। শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে গত ১৬ তারিখে আমাদের ফর্মফিলাপ সম্পন্ন করেছি। এখন এই আন্দোলনের জন্য কবে পরীক্ষা শুরু হবে জানা নেই। যার কারণে আমাদের আবার পেছনে পড়তে হবে। এভাবে চলতে থাকলে সেশনজটেও পড়তে পারি।”

শিক্ষকরা বলছেন, করোনাকালীন দীর্ঘ স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এবারও দ্রুত দাবি পূরণ হলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইতিবাচক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলছেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন। তারা আরও বলেন, ইউজিসির একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এতে ডিগ্রি দেওয়ার বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে ববিতে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এর প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত এই শিক্ষকরা।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. তৌফিক আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে এবং শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি জানান, সংকট সমাধানে মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে যাওয়ার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষকরা তাতে সাড়া দেননি।
উপাচার্য আরও দাবি করেন, কিছু শিক্ষক নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার আগেই পদোন্নতির আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। কর্মবিরতি, শাটডাউন এবং সর্বশেষ অসহযোগ কর্মসূচির কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অসহায় হয়ে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষকরা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ এপ্রিল মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন আমরণ অনশন শুরু করেন।
পরে ২০ এপ্রিল তিনি অনশন ভাঙেন, এরপরই শিক্ষকদের পক্ষ থেকে কর্মবিরতি ও শাটডাউনের ঘোষণা আসে। এতে বন্ধ হয়ে যায় ক্লাস-পরীক্ষাসহ প্রায় সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৩ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আলোচনার পর তারা কেবল চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন, তবে নতুন ক্লাস বা অন্যান্য পরীক্ষা নিতে অস্বীকৃতি জানান। সবশেষ গতকাল অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে , এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে মারাত্মক সেশনজটের আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো.রাজিব চরচাকে বলেন, “অন্য বিভাগের সহপাঠীদের থেকে আমাদের ব্যাচটা একটু পেছানো ছিল। শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে গত ১৬ তারিখে আমাদের ফর্মফিলাপ সম্পন্ন করেছি। এখন এই আন্দোলনের জন্য কবে পরীক্ষা শুরু হবে জানা নেই। যার কারণে আমাদের আবার পেছনে পড়তে হবে। এভাবে চলতে থাকলে সেশনজটেও পড়তে পারি।”

শিক্ষকরা বলছেন, করোনাকালীন দীর্ঘ স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এবারও দ্রুত দাবি পূরণ হলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইতিবাচক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলছেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন। তারা আরও বলেন, ইউজিসির একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এতে ডিগ্রি দেওয়ার বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে ববিতে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এর প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত এই শিক্ষকরা।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. তৌফিক আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে এবং শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি জানান, সংকট সমাধানে মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে যাওয়ার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষকরা তাতে সাড়া দেননি।
উপাচার্য আরও দাবি করেন, কিছু শিক্ষক নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার আগেই পদোন্নতির আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। পদোন্নতির দাবিতে শুরু হওয়া কর্মবিরতি, শাটডাউন এবং সর্বশেষ অসহযোগ কর্মসূচির কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অসহায় হয়ে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।