চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রসহ ২২টি দেশ যৌথভাবে ইরানকে তাদের ভূখণ্ডে মানুষের ওপর হামলা বন্ধ করার জন্য সতর্ক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে এক যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
দেশগুলো এই যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, “আমাদের ভূখণ্ডে মানুষকে হত্যা, অপহরণ, হয়রানি, ভয় দেখানো বা অন্য কোনোভাবে আক্রমণ করার চেষ্টা জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক নিয়মকে ক্ষুণ্ণ করে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ হতে হবে।”
তারা জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা বিভাগ এবং এর বিদেশি শাখা কুদস ফোর্স ইরানি ভিন্নমতালম্বী, সাংবাদিক এবং ইহুদি ও ইসরায়েলি সম্প্রদায় এবং তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে ‘মারাত্মক ষড়যন্ত্র ও ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে’ লিপ্ত ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এইসব হুমকির হাত থেকে আমাদের দেশ এবং আমাদের জনগণকে রক্ষা করার সংকল্পে আমরা ঐক্যবদ্ধ। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানকে এখনই এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।”
দেশগুলো ইরানকে ইউরোপজুড়ে ইহুদি সম্প্রদায়, ইরানি সাংবাদিক এবং মার্কিন সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে চালানো একের পর এক হামলার পেছনে থাকার জন্যও অভিযুক্ত করেছে। এই হামলাগুলোর দায় স্বীকার করেছিল ইরান-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী ‘হারাকাত আশহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’।
এই গোষ্ঠীটি যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডসে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
বার্তাসংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই গোষ্ঠী গত কয়েক মাসে উত্তর লন্ডনে দুজন ইহুদি ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত এবং সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) ও সাম্প্রদায়িক স্থানগুলোতে ধারাবাহিক অগ্নিসংযোগের ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
গত বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া ইরানের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে। ক্যানবেরার অভিযোগ ছিল, তেহরান অন্তত দুটি ইহুদি-বিদ্বেষী হামলার নির্দেশ দিয়েছিল যার একটি মেলবোর্নের একটি সিনাগগে অগ্নিসংযোগ এবং অন্যটি সিডনির একটি কোশার ক্যাফেতে (ইহুদিদের খাবার দোকান) আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা।
পাশাপাশি ক্যানবেরা ইরান থেকে তাদের নিজস্ব রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং তেহরানে তাদের দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত করে।
নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের এই কথিত হামলাগুলোকে ‘অস্ট্রেলিয়ার ভূখণ্ডে একটি বিদেশি রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত নজিরবিহীন এবং বিপজ্জনক আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে সময় বলেছিল যে, অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্ত একটি অপমানজনক ও অযৌক্তিক পদক্ষেপ, যা আন্তর্জাতিক নিয়ম ও নীতি লঙ্ঘন করেছে।
এই যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করেছে- আলবেনিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ব্রিটেন, বুলগেরিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পর্তুগাল, সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রসহ ২২টি দেশ যৌথভাবে ইরানকে তাদের ভূখণ্ডে মানুষের ওপর হামলা বন্ধ করার জন্য সতর্ক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে এক যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
দেশগুলো এই যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, “আমাদের ভূখণ্ডে মানুষকে হত্যা, অপহরণ, হয়রানি, ভয় দেখানো বা অন্য কোনোভাবে আক্রমণ করার চেষ্টা জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক নিয়মকে ক্ষুণ্ণ করে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ হতে হবে।”
তারা জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা বিভাগ এবং এর বিদেশি শাখা কুদস ফোর্স ইরানি ভিন্নমতালম্বী, সাংবাদিক এবং ইহুদি ও ইসরায়েলি সম্প্রদায় এবং তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে ‘মারাত্মক ষড়যন্ত্র ও ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে’ লিপ্ত ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এইসব হুমকির হাত থেকে আমাদের দেশ এবং আমাদের জনগণকে রক্ষা করার সংকল্পে আমরা ঐক্যবদ্ধ। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানকে এখনই এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।”
দেশগুলো ইরানকে ইউরোপজুড়ে ইহুদি সম্প্রদায়, ইরানি সাংবাদিক এবং মার্কিন সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে চালানো একের পর এক হামলার পেছনে থাকার জন্যও অভিযুক্ত করেছে। এই হামলাগুলোর দায় স্বীকার করেছিল ইরান-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী ‘হারাকাত আশহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’।
এই গোষ্ঠীটি যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডসে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
বার্তাসংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই গোষ্ঠী গত কয়েক মাসে উত্তর লন্ডনে দুজন ইহুদি ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত এবং সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) ও সাম্প্রদায়িক স্থানগুলোতে ধারাবাহিক অগ্নিসংযোগের ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
গত বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া ইরানের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে। ক্যানবেরার অভিযোগ ছিল, তেহরান অন্তত দুটি ইহুদি-বিদ্বেষী হামলার নির্দেশ দিয়েছিল যার একটি মেলবোর্নের একটি সিনাগগে অগ্নিসংযোগ এবং অন্যটি সিডনির একটি কোশার ক্যাফেতে (ইহুদিদের খাবার দোকান) আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা।
পাশাপাশি ক্যানবেরা ইরান থেকে তাদের নিজস্ব রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং তেহরানে তাদের দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত করে।
নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের এই কথিত হামলাগুলোকে ‘অস্ট্রেলিয়ার ভূখণ্ডে একটি বিদেশি রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত নজিরবিহীন এবং বিপজ্জনক আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে সময় বলেছিল যে, অস্ট্রেলিয়ার এই সিদ্ধান্ত একটি অপমানজনক ও অযৌক্তিক পদক্ষেপ, যা আন্তর্জাতিক নিয়ম ও নীতি লঙ্ঘন করেছে।
এই যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করেছে- আলবেনিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ব্রিটেন, বুলগেরিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পর্তুগাল, সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

চার বছর পর ৪৮ দলের ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ব্রাজিলও। তবে এখনো দলটির অনুশীলনে হাজির হতে পারেননি নেইমার। সান্তোসের এই তারকা ফরোয়ার্ডকে ছাড়াই নিউ জার্সির মরিসটাউনে অনুশীলন করেছে সেলেসাওরা। ফলে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে সংশয় বেড়ে গেছে আরও।