Advertisement Banner

চিফ হুইপকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, সাবেক শিবির নেতা কারাগারে

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
চিফ হুইপকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, সাবেক শিবির নেতা কারাগারে
প্রতীকী ছবি

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মামলায় সাবেক শিবির নেতা ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এ এম হাসান নাসিমের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন আসামি নাসিমকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান। সেই আবেদনে বলা হয়, মামলা দায়ের করার আগেই ঘটনার বিষয়ে সংবাদ পেয়ে সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানিয়ে ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তদন্তে পাওয়া আসামি এ এম হাসান নাসিমকে (৩৫) গতকাল রাত ৮টায় শের-ই-বাংলা নগর থানাধীন বনলতা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

আবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনায় জড়িত অন্যন্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের তথ্য ও গ্রেপ্তার, আলামত উদ্ধার, ঘটনার নেপথ্যে কারা কারা ইন্ধন যুগিয়েছে তাদের নাম ঠিকানাসহ গ্রেপ্তার, মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামির রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন।

এর আগে গতকাল শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন এলাকার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে আসামি নাসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে তার একনিষ্ঠ কর্মী পরিচয় দানকারী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে আজ গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গুলশানে নিজ বাসায় অবস্থানকালে দেখতে পান, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে একটি ফেসবুক আইডি থেকে 'সাগর থেকে ৩ টা তিমি মাছ নিয়ে এসেছি, ২টা হাঙর আসতেছে ইনশাআল্লাহ, সবার দাওয়াত: চিফ হুইপ' এই ক্যাপশনে পোস্ট করে। পরবর্তীতে ওই ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করতে থাকে।

এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামির হোয়াটসঅ্যাপ থেকে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। চিফ হুইপ নূর ইসলাম মনি তাকে বিষয়টি দেখায় ও জানায়। বর্ণিত ঘটনার বিষয়ে চিফ হুইপ নূর ইসলাম মনির সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

সম্পর্কিত