চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৯ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রতীক্ষার পর আগামীকাল থেকে নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। অধিবেশনের প্রথম দিনই বিগত সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে পেশ করা হবে এবং সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় অন্য ছয়জন হুইপ আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, এবং এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের ১৩৩টি অধ্যাদেশ আছে যা উপস্থাপন করা হবে। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশগুলো বহাল থাকবে আর কোনগুলো ল্যাপস (বাতিল) হয়ে যাবে। আগামী ১২ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশগুলো আমরা পাস করার চেষ্টা করব।”
নুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় অধিবেশনের শুরুতে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সভাপতিত্বে অধিবেশন পরিচালিত হবে। এরপর সংসদ নেতার প্রস্তাবের মাধ্যমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে কাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন, যা আগামীকালই প্রকাশ করা হবে।
অধিবেশনের শুরুতেই প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, জুলাই বিপ্লবে শহীদ হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি। তাদের ত্যাগ ও অবদান নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
চিফ হুইপ বলেন, “আমরা একটি কার্যকর, প্রাণবন্ত ও দায়বদ্ধ সংসদ উপহার দিতে চাই। জাতীয় সকল সমস্যার সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে এই সংসদ। এখানে যুক্তি-তর্ক হবে, গঠনমূলক সমালোচনা হবে। আমরা বিরোধী দলের কাছ থেকেও ইতিবাচক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”
জুলাই সনদের শপথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তারা সেই শপথ নেননি। ভবিষ্যতে এটি সংবিধানে যুক্ত হওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এছাড়া প্রথম দিনেই বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি ও বিশেষ কমিটিসহ অন্তত দুটি কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনে প্রিভিলেজ ও হাউজ কমিটিও গঠন করা হতে পারে। একইসঙ্গে প্রথম দিনের অধিবেশনে এসএসএফ ও সিএসএফ-এর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি, যার ফলে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৯ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রতীক্ষার পর আগামীকাল থেকে নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। অধিবেশনের প্রথম দিনই বিগত সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে পেশ করা হবে এবং সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় অন্য ছয়জন হুইপ আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, এবং এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের ১৩৩টি অধ্যাদেশ আছে যা উপস্থাপন করা হবে। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশগুলো বহাল থাকবে আর কোনগুলো ল্যাপস (বাতিল) হয়ে যাবে। আগামী ১২ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশগুলো আমরা পাস করার চেষ্টা করব।”
নুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় অধিবেশনের শুরুতে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সভাপতিত্বে অধিবেশন পরিচালিত হবে। এরপর সংসদ নেতার প্রস্তাবের মাধ্যমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে কাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন, যা আগামীকালই প্রকাশ করা হবে।
অধিবেশনের শুরুতেই প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, জুলাই বিপ্লবে শহীদ হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি। তাদের ত্যাগ ও অবদান নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
চিফ হুইপ বলেন, “আমরা একটি কার্যকর, প্রাণবন্ত ও দায়বদ্ধ সংসদ উপহার দিতে চাই। জাতীয় সকল সমস্যার সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে এই সংসদ। এখানে যুক্তি-তর্ক হবে, গঠনমূলক সমালোচনা হবে। আমরা বিরোধী দলের কাছ থেকেও ইতিবাচক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।”
জুলাই সনদের শপথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তারা সেই শপথ নেননি। ভবিষ্যতে এটি সংবিধানে যুক্ত হওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এছাড়া প্রথম দিনেই বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি ও বিশেষ কমিটিসহ অন্তত দুটি কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনে প্রিভিলেজ ও হাউজ কমিটিও গঠন করা হতে পারে। একইসঙ্গে প্রথম দিনের অধিবেশনে এসএসএফ ও সিএসএফ-এর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি, যার ফলে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে।

চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের ১৩৩টি অধ্যাদেশ আছে যা উপস্থাপন করা হবে। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশগুলো বহাল থাকবে আর কোনগুলো ল্যাপস (বাতিল) হয়ে যাবে। আগামী ১২ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশগুলো আমরা পাস করার চেষ্টা করব