Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

ন্যাটো ধাঁচের ‘মক্কা চুক্তি’ সই করল সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ২৪
ন্যাটো ধাঁচের ‘মক্কা চুক্তি’ সই করল সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান
ছবি: এক্স থেকে নেওয়া

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়েছে। আজ শুক্রবার মক্কায় সৌদি আরবের যুবরাজ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরিফ জেদ্দায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন।

১১ ব্যাংকে বিশেষ নিরীক্ষা চালাবে বাংলাদেশ ব্যাংক bb-bangladesh-bank

তিন নেতা একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। চুক্তিটি তিন দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ব ও ইসলামী সংহতির ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি, এটি তাদের অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ এবং দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই চুক্তি তিন দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা আরও জোরদার করার এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতি তাদের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। একই সঙ্গে নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী করা। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে অভিহিত এই চুক্তির সমঝোতার আওতায় প্রতিটি দেশ কী ধরনের প্রতিশ্রুতি বা দায়বদ্ধতা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। তবে উল্লেখ করা হয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য হলো পারস্পরিক নিরাপত্তা জোরদার করা এবং অঞ্চলসহ বৈশ্বিক পরিসরে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।

রয়টার্সকে তুরস্কের এক কর্মকর্তা জানান, এই চুক্তি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ধাঁচের। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। আঞ্চলিক অন্যান্য দেশের জন্যও এতে যোগ দেওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি, এই চুক্তির মাধ্যমে বিদ্যমান কোনো দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বাতিল বা প্রতিস্থাপন করা হয়নি।

রয়টার্স লিখেছে, চুক্তি করা দেশ তিনটি ইসরায়েল এবং শিয়া রাষ্ট্র ইরানের ক্রমবর্ধমান আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থান নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন।

সৌদি আরবভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আবদুলআজিজ সাগের বলেন, “এই শীর্ষ বৈঠকের রাজনৈতিক তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিশ্চয়তাপূর্ণ এই সময়ে মুসলিম বিশ্বের তিনটি সবচেয়ে প্রভাবশালী রাষ্ট্র একত্রিত হয়েছে, যা নিরাপত্তা ইস্যুতে আঞ্চলিক ও মধ্যম শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের আগ্রহকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।”

আবদুলআজিজ আরও বলেন, “যদি এই ত্রিপক্ষীয় কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় এবং বাস্তব সহযোগিতায় পরিণত হয়, তাহলে এটি তিন দেশের সম্মিলিত কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি অঞ্চলনির্ভর একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। ছবি: রয়টার্স
মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। ছবি: রয়টার্স

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনী রয়েছে তুরস্কের। উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র সৌদি আরব ইসলাম ধর্মের দুটি পবিত্রতম স্থানের আবাস এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তানই বিশ্বের একমাত্র মুসলিম-অধ্যুষিত পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের আসার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় ওমরাহ পালন করেন।

এরপর তারা সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সৌদি আরব একাধিকবার ইরানের হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী এবং ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের হামলারও শিকার হয়েছে।

এই সংঘাত শুধু সৌদি আরব নয়, দেশটির উপসাগরীয় মিত্রদের নিরাপত্তাকেও নাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো।

শুক্রবার স্বাক্ষরিত এই চুক্তির আগে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চলেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রয়টার্স জানিয়েছিল, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম গঠনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলে হামলার পর গত প্রায় তিন বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা চলছে। এই সময়ে অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি দেশই সীমান্তপারের হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আক্রমণের মুখে পড়েছে। ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ চালাচ্ছে। দক্ষিণ লেবাননে অভিযান চালিয়েছে, সিরিয়ার কিছু এলাকা দখল করেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক বিমান অভিযানও পরিচালনা করেছে।

মক্কায় ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রতিনিধিদল। ছবি: আনাদোলু
মক্কায় ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রতিনিধিদল। ছবি: আনাদোলু

অন্যদিকে, তেহরান সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, জর্ডান, ইসরায়েল এবং এ অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছে।

যদিও মধ্যপ্রাচ্যের সীমানায় অবস্থিত তুরস্ক ও পাকিস্তান বড় ধরনের সরাসরি হামলার শিকার হয়নি, তবে দেশ দুটি সংঘাত প্রশমিত করতে আগ্রহী।

সৌদি আরবের জন্য গত তিন বছরের সংঘাতের প্রভাব আরও গভীর। এতে দেশটির তেল রপ্তানি ও উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন পরিকল্পনা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের মার্কিন নিরাপত্তা ছাতার নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কায় শুক্রবার এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এর প্রতীকী গুরুত্বও বেড়েছে। কারণ এটি তিন দেশের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন রূপ পেয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডিফেন্স স্টাডিজ সেন্টারের গবেষক মনসুর আহমেদ বলেন, পাকিস্তান ও তুরস্কের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে, আর সৌদি আরব প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের মাধ্যমে এই অংশীদারত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

তবে তিনি মনে করেন, এই চুক্তিতে পারমাণবিক সহযোগিতার কোনো উপাদান থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পাকিস্তানের পারমাণবিক প্রতিরোধনীতি মূলত ভারতের সম্ভাব্য হুমকিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।

দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তান সৌদি আরবের সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। একইভাবে তুরস্ক ও পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজ ও প্রশিক্ষণ বিমান বিনিময় করেছে। ২০২৩ সালে সৌদি আরব তুরস্কের তৈরি ড্রোন কেনার চুক্তি করে, যা আঙ্কারা তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি চুক্তি বলে উল্লেখ করেছিল।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস থেকে পাকিস্তান সৌদি আরবে প্রায় ৮ হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামাবাদ। জুলাই মাসে জ্বালানি সহযোগিতা ও বিনিয়োগের বিনিময়ে কুয়েতের সঙ্গে একটি সম্প্রসারিত নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে পাকিস্তান।

বিষয়: সৌদি আরবপাকিস্তানচুক্তিতুরস্কন্যাটো
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. কাউছার হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।” তবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন উপাচার্য।

  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার ইসি জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তা ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং ক

  • হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুল থানার হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

  • মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।