ইনকিলাব মঞ্চে গুলি করা হয়নি, দাবি পুলিশের

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
ইনকিলাব মঞ্চে গুলি করা হয়নি, দাবি পুলিশের
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ছবি: বাসস

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় নিষিদ্ধ স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের চেষ্টা করায় টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

এতে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ ৩৮ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় যমুনা সংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা ভেঙে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ওপর কোনো ধরনের গুলি ব্যবহার করা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুলির খবরকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছে ডিএমপি। এ ঘটনায় পুলিশেরও বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও তা গুলির আঘাত নয়। একজনের শরীরে কোনো একটি বস্তুর উপস্থিতি পাওয়া গেলেও সেটি গুলি নাকি সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টার তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারের তালিকা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৩৮ জন জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ‘হাদি হত্যার বিচার’ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও ছত্রভঙ্গ করার ঘটনায় আহত ৩১ শিক্ষার্থীর নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন, আম্মার, আব্দুল্লাহ আল জাবের, ঝুমা, মনির, ফয়সাল, জয়, জুলকার, মোশাররফ, নিলয়, অনিক, উমর, রাহাত, রাসেল, আহাদ, মাহিন, আজাদ, শামিম, সোহেল, শাওন, জাবেদ, ঝুমা, আম্মাদ, শামিম, আঞ্জুমান, সাব্বির, জিসান, মুজিদ, ইউসুফ, রিফাত, ইউসুফ এবং লিয়ন। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সম্পর্কিত