চরচা প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
আজ রোববার সকালে বরিশালের সার্কিট হাউজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধু প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কলম নিয়ে যেতে পারবেন, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনন্সিল নিয়ে যাবেন।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ভোট চলাকালীন প্রতি আসনে ১০ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে। ভোট কেনাবেচা বন্ধে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে এবং অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হবে।
মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের যেকোনো ধরনের আপ্যায়ন বা আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সত্য এবং সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান করেন তিনি।
এছাড়া বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও আহত ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভোটে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব জেলা ও প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘‘সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান। নির্দেশনার পরও কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।’’
সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে সেখানে কোনো ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
আজ রোববার সকালে বরিশালের সার্কিট হাউজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধু প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কলম নিয়ে যেতে পারবেন, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনন্সিল নিয়ে যাবেন।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ভোট চলাকালীন প্রতি আসনে ১০ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে। ভোট কেনাবেচা বন্ধে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে এবং অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হবে।
মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের যেকোনো ধরনের আপ্যায়ন বা আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সত্য এবং সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান করেন তিনি।
এছাড়া বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও আহত ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভোটে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব জেলা ও প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘‘সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান। নির্দেশনার পরও কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।’’
সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে সেখানে কোনো ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।
বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।