চরচা প্রতিবেদক

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬’-এর ক্ষমতাবলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিচালনার কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। তিন বছর মেয়াদী এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শাখা-৬ থেকে উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আগামী ৫ আগস্ট উদ্বোধন করা হবে। ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত এই জাদুঘরটি উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুসারে, পদাধিকার বলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
পদাধিকার বলে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অন্যূন যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধিকে।
শিক্ষা ও গবেষক ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ এবং গবেষক ডা. জাহেদ উর রহমান।
কিউরেটর হিসেবে রয়েছেন মোশফিকুর রহমান জোহান। জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মাসুদ রানা। গুমের শিকার পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ব্যারিস্টার মো. আবরার ইলিয়াস, আবু সাঈদ চৌধুরী হিমু ও সানজিদা ইসলাম তুলি।
এছাড়াও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আইনের ধারা ৮(১)-এর চ, ছ, জ, ঝ ও ঞ অনুসারে মনোনীত সদস্যরা মনোনয়নের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬’-এর ক্ষমতাবলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিচালনার কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। তিন বছর মেয়াদী এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শাখা-৬ থেকে উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আগামী ৫ আগস্ট উদ্বোধন করা হবে। ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত এই জাদুঘরটি উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুসারে, পদাধিকার বলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
পদাধিকার বলে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অন্যূন যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধিকে।
শিক্ষা ও গবেষক ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ এবং গবেষক ডা. জাহেদ উর রহমান।
কিউরেটর হিসেবে রয়েছেন মোশফিকুর রহমান জোহান। জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন মাসুদ রানা। গুমের শিকার পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ব্যারিস্টার মো. আবরার ইলিয়াস, আবু সাঈদ চৌধুরী হিমু ও সানজিদা ইসলাম তুলি।
এছাড়াও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আইনের ধারা ৮(১)-এর চ, ছ, জ, ঝ ও ঞ অনুসারে মনোনীত সদস্যরা মনোনয়নের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।