নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

টানা পাঁচদিনের ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা প্লাবিত হয়ে কমপক্ষে সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সাতকানিয়া উপজেলাতেই দুই লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এদিকে টানা পাঁচদিনের বৃষ্টিতে পাহাড়-দেয়াল ধস এবং পানির তোড়ে ভেসে গিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরে মোট ছয়জন মারা গেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা চরচাকে বলেছেন, টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া উপজেলার ৭০ শতাশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রেখে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান চরচাকে বলেন, সাতকানিয়া উপজেলাতে ২ লাখ ৩০ হাজার ৮১৬ জন মানুষ, হাটহাজারী উপজেলায় ৭০ হাজার, চন্দনাইশ উপজেলায় ৫২ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।
মাসুদুর রহমান জানান, বিভিন্ন উপজেলায় খোলা থাকা ৫৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮ হাজার ৩৪০ জন লোক আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের শুকনো খাবার প্যাকেট ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কমর্চারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা চরচাকে জানান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে এরইমধ্যে ২০০ টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে।
জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, রেড ক্রিসেন্ট, আনসার বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে নিয়ে পৃথক গঠিত বিশেষ দল দুর্গত এলাকায় দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
গত রোববার থেকে চট্টগ্রাম মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২২৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত র্রেকড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. ইসমাইল ভূইয়া।
এছাড়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগামী কয়েকদিন চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে। এসব জেলাসমূহের পাহাড়ি ও অন্য ঝুঁকির্পূণ এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

টানা পাঁচদিনের ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা প্লাবিত হয়ে কমপক্ষে সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সাতকানিয়া উপজেলাতেই দুই লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এদিকে টানা পাঁচদিনের বৃষ্টিতে পাহাড়-দেয়াল ধস এবং পানির তোড়ে ভেসে গিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরে মোট ছয়জন মারা গেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা চরচাকে বলেছেন, টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া উপজেলার ৭০ শতাশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রেখে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান চরচাকে বলেন, সাতকানিয়া উপজেলাতে ২ লাখ ৩০ হাজার ৮১৬ জন মানুষ, হাটহাজারী উপজেলায় ৭০ হাজার, চন্দনাইশ উপজেলায় ৫২ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।
মাসুদুর রহমান জানান, বিভিন্ন উপজেলায় খোলা থাকা ৫৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮ হাজার ৩৪০ জন লোক আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের শুকনো খাবার প্যাকেট ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কমর্চারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা চরচাকে জানান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে এরইমধ্যে ২০০ টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে।
জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, রেড ক্রিসেন্ট, আনসার বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে নিয়ে পৃথক গঠিত বিশেষ দল দুর্গত এলাকায় দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
গত রোববার থেকে চট্টগ্রাম মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২২৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত র্রেকড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. ইসমাইল ভূইয়া।
এছাড়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগামী কয়েকদিন চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে। এসব জেলাসমূহের পাহাড়ি ও অন্য ঝুঁকির্পূণ এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলে সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়।