ইরাকের বিভিন্ন অবস্থানে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় অন্তত ২০ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার ভোরের দিকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে হামলার তথ্য নিশ্চিত করে।
বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, মার্কিন সেনা এবং সৌদি জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার জবাবে ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের লক্ষ্য করে এই যৌথ বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৩ দিন ধরে চলা তীব্র বোমা হামলা স্থগিতের পর মধ্যপ্রাচ্যে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও রিয়াদ অঞ্চলের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরাকের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত ও ধ্বংস করেছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ বিবৃতিতে জানায়, এসব ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সৌদি আরব কোনো ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত স্বঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক সৌদি আরবে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, সৌদির অভিযোগ “মনগড়া”। পাশাপাশি তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সৌদি আরবের যেকোনো বোকামিপূর্ণ পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।