চরচা প্রতিবেদক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান শামিম ওরফে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজীব পশ্চিম-দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি।
র্যাব জানায়, গতকাল রাতে কুষ্টিয়া র্যাব-১২ ও রাজশাহী র্যাব-৫ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি গোদাগাড়ীর থানা রোডের একটি সেলুনের সামনে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, পীর হত্যা, আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজীবকে আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি আরিফুর রহমান।
এর আগে একই ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (২৬), আলিফ ইসলাম (২৩) এবং দশম শ্রেণির ছাত্র আলঙ্গীর হোসেনকে (১৬) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ১১ এপ্রিল কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে শামিমকে তার আস্তানায় পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় দরবার শরিফে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ১৩ এপ্রিল নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান শামিম ওরফে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজীব পশ্চিম-দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি।
র্যাব জানায়, গতকাল রাতে কুষ্টিয়া র্যাব-১২ ও রাজশাহী র্যাব-৫ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি গোদাগাড়ীর থানা রোডের একটি সেলুনের সামনে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, পীর হত্যা, আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজীবকে আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি আরিফুর রহমান।
এর আগে একই ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (২৬), আলিফ ইসলাম (২৩) এবং দশম শ্রেণির ছাত্র আলঙ্গীর হোসেনকে (১৬) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত ১১ এপ্রিল কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে শামিমকে তার আস্তানায় পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় দরবার শরিফে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ১৩ এপ্রিল নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয় আদিবাসী নেতা রবিন গ্রানিটস সবাইকে শান্ত থাকার এবং আইনকে নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “এই ব্যক্তি ধরা পড়েছে, এখন আমাদের উচিত বিচার প্রক্রিয়াকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিরো সাজা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সময় নয়।”