চরচা ডেস্ক

ভারতের বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া আবারও তাদের একটি বোয়িং ৭৮৭–৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজকে গ্রাউন্ডেড করেছে। এক পাইলট উড়োজাহাজটির জ্বালানি সুইচে ত্রুটি চিহ্নিত করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গতকাল সোমবার একটি বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে (ডিজিসিএ) জানানো হয়েছে। একইসাথে বোয়িং কোম্পানিও এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তদন্তে সহায়তা করছে।
ঘটনাটি এমন এক সময় সামনে আসে, যখন গত বছরের জুনে একই মডেলের আরেকটি এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ২৬০ জন যাত্রী নিহত হন। সেই দুর্ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান। গত বছরের প্রতিবেদন বলছে–দুর্ঘটনাকবলিত উড়োজাহাজের ফুয়েল সুইচ টেক–অফের পর হঠাৎ ‘রান’ থেকে ‘কাট–অফ’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে কীভাবে সুইচ বদলে গেল–তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এবার যে উড়োজাহাজে ত্রুটি দেখা গেছে, সেটিও লন্ডন থেকে বেঙ্গালুরু পৌঁছানোর পর সমস্যা ধরা পড়ে–এমনটাই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গত বছরের দুর্ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছিল, বোয়িংয়ের জ্বালানি সুইচ নিরাপদ। তবুও ভারত ডিজিসিএ নির্দেশ দেয়, সব বোয়িং ৭৮৭ ও ৭৩৭-এর ফুয়েল সুইচ পরীক্ষা করতে। তখন এয়ার ইন্ডিয়া দাবি করে, তাদের উড়োজাহাজে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে নতুন অভিযোগ ওঠায় সুইচগুলো আবারও পরীক্ষা শুরু করেছে তারা।
বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ টিম অ্যাটকিনসন বলেছেন, এই সুইচ এমনভাবে ডিজাইন করা যে, ভুলবশত নড়ে যাওয়ার কথা নয়। তার মতে, ডিজাইনে কোনো ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা কম।
বর্তমানে দুর্ঘটনার মূল কারণ অনুসন্ধান করছে ভারতের এয়ারক্রাফ্ট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন কয়েক মাসের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে বলেও জানান তারা।

ভারতের বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া আবারও তাদের একটি বোয়িং ৭৮৭–৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজকে গ্রাউন্ডেড করেছে। এক পাইলট উড়োজাহাজটির জ্বালানি সুইচে ত্রুটি চিহ্নিত করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গতকাল সোমবার একটি বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে (ডিজিসিএ) জানানো হয়েছে। একইসাথে বোয়িং কোম্পানিও এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তদন্তে সহায়তা করছে।
ঘটনাটি এমন এক সময় সামনে আসে, যখন গত বছরের জুনে একই মডেলের আরেকটি এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ২৬০ জন যাত্রী নিহত হন। সেই দুর্ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান। গত বছরের প্রতিবেদন বলছে–দুর্ঘটনাকবলিত উড়োজাহাজের ফুয়েল সুইচ টেক–অফের পর হঠাৎ ‘রান’ থেকে ‘কাট–অফ’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে কীভাবে সুইচ বদলে গেল–তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এবার যে উড়োজাহাজে ত্রুটি দেখা গেছে, সেটিও লন্ডন থেকে বেঙ্গালুরু পৌঁছানোর পর সমস্যা ধরা পড়ে–এমনটাই জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গত বছরের দুর্ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছিল, বোয়িংয়ের জ্বালানি সুইচ নিরাপদ। তবুও ভারত ডিজিসিএ নির্দেশ দেয়, সব বোয়িং ৭৮৭ ও ৭৩৭-এর ফুয়েল সুইচ পরীক্ষা করতে। তখন এয়ার ইন্ডিয়া দাবি করে, তাদের উড়োজাহাজে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে নতুন অভিযোগ ওঠায় সুইচগুলো আবারও পরীক্ষা শুরু করেছে তারা।
বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ টিম অ্যাটকিনসন বলেছেন, এই সুইচ এমনভাবে ডিজাইন করা যে, ভুলবশত নড়ে যাওয়ার কথা নয়। তার মতে, ডিজাইনে কোনো ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা কম।
বর্তমানে দুর্ঘটনার মূল কারণ অনুসন্ধান করছে ভারতের এয়ারক্রাফ্ট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন কয়েক মাসের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে বলেও জানান তারা।