চরচা ডেস্ক

বাণিজ্য ঞাটতি কমাতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান।
আজ শুক্রবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এ বৈঠক হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, তারেক রহমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং দেশের প্রধান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে চীনের সমর্থন চেয়েছেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ তাদের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার এবং উন্নয়ন অর্থায়নকারী চীনের সাথে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চাইছে।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এই সফরটির একটি ব্যাপক কূটনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে, কারণ তারেক রহমান বেইজিং এবং নয়াদিল্লি উভয়ের সাথেই সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। তার পূর্বসূরি শেখ হাসিনাকে ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখা হতো। তবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হলেও সীমান্ত উত্তেজনাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে।

বৈঠকে তারেক রহমান সি-কে বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীন সেদেশে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে সহায়তা করতে পারে।
রয়টার্স লিখেছে, মিডিয়া পুলের প্রতিবেদন অনুযায়ী তারেক রহমান বলেন, “আমরা চীনকে আমাদের তাজা আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জলজ পণ্য, কাঁচা চামড়া, পাটজাত পণ্য এবং ওষুধ পণ্য আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
তিনি আরও যোগ করেন , বাংলাদেশের প্রধান প্রধান বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন এবং বিদ্যমান শিল্প ইউনিটগুলোর আধুনিকীকরণ ও মানোন্নয়নে চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এ যোগ দেয়, যা এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপকে যুক্ত করার লক্ষ্যে সি-র একটি ফ্ল্যাগশিপ অবকাঠামো এবং উন্নয়ন কৌশল।
চীনা সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীন বাংলাদেশ থেকে আরও উচ্চমানের পণ্য আমদানি করতে, বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগে সহায়তা করতে এবং নতুন জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো উদীয়মান শিল্পগুলোতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে তারেক রহমান বৃহস্পতিবার চীনা প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সেখানে তারা একাধিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চীনের কাছে বাংলাদেশের দেনা ৬.২ বিলিয়ন ডলার, এবং বেইজিং-ভিত্তিক এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) আরও ২.৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি তাদের এই প্রতিবেশীকে মাত্র ১.৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে।

বাণিজ্য ঞাটতি কমাতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান।
আজ শুক্রবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এ বৈঠক হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, তারেক রহমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং দেশের প্রধান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে চীনের সমর্থন চেয়েছেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ তাদের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার এবং উন্নয়ন অর্থায়নকারী চীনের সাথে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চাইছে।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এই সফরটির একটি ব্যাপক কূটনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে, কারণ তারেক রহমান বেইজিং এবং নয়াদিল্লি উভয়ের সাথেই সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। তার পূর্বসূরি শেখ হাসিনাকে ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখা হতো। তবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হলেও সীমান্ত উত্তেজনাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে।

বৈঠকে তারেক রহমান সি-কে বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীন সেদেশে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে সহায়তা করতে পারে।
রয়টার্স লিখেছে, মিডিয়া পুলের প্রতিবেদন অনুযায়ী তারেক রহমান বলেন, “আমরা চীনকে আমাদের তাজা আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জলজ পণ্য, কাঁচা চামড়া, পাটজাত পণ্য এবং ওষুধ পণ্য আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
তিনি আরও যোগ করেন , বাংলাদেশের প্রধান প্রধান বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন এবং বিদ্যমান শিল্প ইউনিটগুলোর আধুনিকীকরণ ও মানোন্নয়নে চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এ যোগ দেয়, যা এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপকে যুক্ত করার লক্ষ্যে সি-র একটি ফ্ল্যাগশিপ অবকাঠামো এবং উন্নয়ন কৌশল।
চীনা সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীন বাংলাদেশ থেকে আরও উচ্চমানের পণ্য আমদানি করতে, বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগে সহায়তা করতে এবং নতুন জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো উদীয়মান শিল্পগুলোতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে তারেক রহমান বৃহস্পতিবার চীনা প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সেখানে তারা একাধিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চীনের কাছে বাংলাদেশের দেনা ৬.২ বিলিয়ন ডলার, এবং বেইজিং-ভিত্তিক এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) আরও ২.৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি তাদের এই প্রতিবেশীকে মাত্র ১.৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে।

ডিসির প্রত্যাহার হওয়ার প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন সোমবার সারওয়ার আলম মাজারে যান। বেলা দুইটার দিকে তার নির্দেশনায় দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেগগুলো খোলা হয়। টাকা গণনা শেষে সন্ধ্যায় জানানো হয়, আটটি ডেগ ও দানবাক্সে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৭ আনা স্বর্ণালংকার ও ১০ সৌদি রিয়াল মিলেছে।

চীনা সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীন বাংলাদেশ থেকে আরও উচ্চমানের পণ্য আমদানি করতে, বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগে সহায়তা করতে এবং নতুন জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো উদীয়মান শিল্পগুলোতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।