সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার দাবি
চরচা ডেস্ক

আমেরিকা কোটি কোটি ডলার দিয়ে কিনেছিল পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফকে। এমন দাবি আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক কর্মকর্তা জন কিরিয়াকোর। তিনি ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন।
কিরিয়াকো ১৫ বছর সিআইএতে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পাকিস্তানি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো। তখন সেখানে ক্ষমতায় ছিলেন জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। সত্যি বলতে আমেরিকা স্বৈরশাসকদের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করে। কারণ তখন আর জনমত নিয়ে বা মিডিয়ার দিকে নজর রাখতে হয় না। তাই মূলত আমরা মোশাররফকে কিনে নিয়েছিলাম।’’
কিরিয়াকোর ভাষ্য, তারা সামরিক সাহায্য বা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহায়তার নামে মোশাররফকে কোটি কোটি অর্থ দিত। আর এর পরিবর্তে আমেরিকা পাকিস্তানে যা ইচ্ছে তাই করার অনুমতি পেত। মোশাররফের প্রায় প্রতি সপ্তাহে সিআইএই কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ হতো। মোশাররফের প্রধান কাজ ছিল তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীকে খুশি রাখা। তবে কিরিয়াকো বলেছেন, আল-কায়েদার বিরুদ্ধে আমেরিকাকে সব সহায়তা দেওয়ার কথা বলে মোশাররফ আবার ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতেন। কারণ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আর জঙ্গিদের মাথাব্যথা আল কায়েদা ছিল না, ছিল ভারত।
২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্টে হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার বিরোধ প্রায় যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছিল তখন। দেশজুড়ে উত্তপ্ত অবস্থা। পাকিস্তানের রাজনীতিবিদেরা এধরনের পরিস্থিতে যেহেতু ইতিবাচক সিদ্বান্ত নিতে পারেনা তাই কিরিয়াকো দুঃশ্চিন্তায় ছিলেন। কারণ এমন অবস্থায় পাকিস্তানের জনগণ খুবই উত্তেজিত হয়ে যায়। আর তাতে হতাহতের ঘটনাও ঘটে।

আমেরিকা কোটি কোটি ডলার দিয়ে কিনেছিল পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফকে। এমন দাবি আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক কর্মকর্তা জন কিরিয়াকোর। তিনি ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন।
কিরিয়াকো ১৫ বছর সিআইএতে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পাকিস্তানি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো। তখন সেখানে ক্ষমতায় ছিলেন জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। সত্যি বলতে আমেরিকা স্বৈরশাসকদের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করে। কারণ তখন আর জনমত নিয়ে বা মিডিয়ার দিকে নজর রাখতে হয় না। তাই মূলত আমরা মোশাররফকে কিনে নিয়েছিলাম।’’
কিরিয়াকোর ভাষ্য, তারা সামরিক সাহায্য বা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহায়তার নামে মোশাররফকে কোটি কোটি অর্থ দিত। আর এর পরিবর্তে আমেরিকা পাকিস্তানে যা ইচ্ছে তাই করার অনুমতি পেত। মোশাররফের প্রায় প্রতি সপ্তাহে সিআইএই কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ হতো। মোশাররফের প্রধান কাজ ছিল তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীকে খুশি রাখা। তবে কিরিয়াকো বলেছেন, আল-কায়েদার বিরুদ্ধে আমেরিকাকে সব সহায়তা দেওয়ার কথা বলে মোশাররফ আবার ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতেন। কারণ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আর জঙ্গিদের মাথাব্যথা আল কায়েদা ছিল না, ছিল ভারত।
২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্টে হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার বিরোধ প্রায় যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছিল তখন। দেশজুড়ে উত্তপ্ত অবস্থা। পাকিস্তানের রাজনীতিবিদেরা এধরনের পরিস্থিতে যেহেতু ইতিবাচক সিদ্বান্ত নিতে পারেনা তাই কিরিয়াকো দুঃশ্চিন্তায় ছিলেন। কারণ এমন অবস্থায় পাকিস্তানের জনগণ খুবই উত্তেজিত হয়ে যায়। আর তাতে হতাহতের ঘটনাও ঘটে।