চরচা প্রতিবেদক

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২৩ বছর আগে জাবেদ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দুই ভাইসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারি মানিক মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন–দেলোয়ার হোসেন ও হাবিবুল্লাহ এবং তাদের প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম ও দ্বীন ইসলাম। তারা সবাই কেরানীগঞ্জের রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৮ মার্চ কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে জাবেদকে কৌশলে ডেকে নেয় আসামিরা। সিনেমা দেখানোর কথা বলে তাকে কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী ঘাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পর দিন সকালে স্থানীয়রা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হলেও পরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। নিহতের মা আমিনা বেগম অভিযোগ দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
তদন্ত শেষে কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মহসিনুল কাদির ২০০৫ সালে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন এবং ২০০৬ সালে আদালত নুর হোসেনকে অব্যাহতি দিয়ে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচারকালে আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২৩ বছর আগে জাবেদ নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দুই ভাইসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারি মানিক মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন–দেলোয়ার হোসেন ও হাবিবুল্লাহ এবং তাদের প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম ও দ্বীন ইসলাম। তারা সবাই কেরানীগঞ্জের রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৮ মার্চ কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে জাবেদকে কৌশলে ডেকে নেয় আসামিরা। সিনেমা দেখানোর কথা বলে তাকে কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী ঘাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পর দিন সকালে স্থানীয়রা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হলেও পরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। নিহতের মা আমিনা বেগম অভিযোগ দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
তদন্ত শেষে কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মহসিনুল কাদির ২০০৫ সালে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন এবং ২০০৬ সালে আদালত নুর হোসেনকে অব্যাহতি দিয়ে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচারকালে আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই পুঞ্জীভূত সমস্যার দায় কোনোভাবেই বর্তমান নির্বাচিত সরকারের নয়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অব্যবস্থাপনার দায় আমাদের সবাইকে নিতে হচ্ছে। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে তার গড়মিল রয়েছে।”