চরচা ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ এই রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, পিটিশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ জানান, রিট পিটিশনটি ইতিমধ্যে শুনানির জন্য বিচারপতি খিজির হায়াতের নেতৃত্বাধীন একটি হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মহসিন রশিদ দাবি করেন, বিদ্যমান আইসিটি আইনটি বেআইনি এবং এর কোনো বৈধ উদ্দেশ্য নেই। তিনি দাবি করে বলেন, ২০০৯ সালে এই আইনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল সংশোধন করা এবং এটিকে ব্যবহার করে এমন কিছু ঘটানো—যাকে আমি বিচারবিভাগীয় হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করি।
আইসিটি আইনের সর্বশেষ সংশোধনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে আনা পরিবর্তনগুলো এই আইনটিকে বিচারবিভাগীয় হত্যার একটি হাতিয়ারে পরিণত করেছে। এটি এমন একটি ট্রাইব্যুনাল যা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে হত্যা করে। তাই এটি বাতিল করা উচিত।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়, যাতে ব্যক্তি ও সংগঠন উভয়েরই বিচার করা যায় এবং ট্রাইব্যুনালের স্বাধীন কার্যকারিতা সহজতর করা সম্ভব হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ এই রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, পিটিশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ জানান, রিট পিটিশনটি ইতিমধ্যে শুনানির জন্য বিচারপতি খিজির হায়াতের নেতৃত্বাধীন একটি হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মহসিন রশিদ দাবি করেন, বিদ্যমান আইসিটি আইনটি বেআইনি এবং এর কোনো বৈধ উদ্দেশ্য নেই। তিনি দাবি করে বলেন, ২০০৯ সালে এই আইনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল সংশোধন করা এবং এটিকে ব্যবহার করে এমন কিছু ঘটানো—যাকে আমি বিচারবিভাগীয় হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করি।
আইসিটি আইনের সর্বশেষ সংশোধনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে আনা পরিবর্তনগুলো এই আইনটিকে বিচারবিভাগীয় হত্যার একটি হাতিয়ারে পরিণত করেছে। এটি এমন একটি ট্রাইব্যুনাল যা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে হত্যা করে। তাই এটি বাতিল করা উচিত।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়, যাতে ব্যক্তি ও সংগঠন উভয়েরই বিচার করা যায় এবং ট্রাইব্যুনালের স্বাধীন কার্যকারিতা সহজতর করা সম্ভব হয়।