চরচা ডেস্ক

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৫নং বন্দুকভাঙা ইউনিয়নে এক প্রতিবন্ধী চাকমা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) ঢাকা মহানগর শাখা। আজ শনিবার বিকেলে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে।
পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পায়া ম্রো’র সঞ্চালনায় এবং সভাপতি কনেজ চাকমার সভাপতিত্বে সমাবেশে পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের ওপর চলমান নিপীড়ন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য দীপায়ন খীসা বলেন, “পাহাড়ে ধর্ষণের পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হলেও তারা কয়েক দিন পর কারাগার থেকে বের হয়ে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায়। একজন আদিবাসী কিশোরী আজ তার নিজের বাড়িতেও নিরাপদ নয়।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক বক্তব্যের সূত্র ধরে দীপায়ন খীসা বলেন, “মানবাধিকার ও আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। অথচ বলা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে শতভাগ মানবাধিকার রক্ষা সম্ভব না।” তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, শ্রী এম এন লারমাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ অধিবেশনে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ ধারণার অবতারণা করেছিলেন।
বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অনন্ত তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “দেশে নতুন সরকার আসলেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি আগের মতোই রয়ে গেছে। দেশে অনিক চাকমাকে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বিনা বিচারে ৭৬৮ দিন ধরে ৮ জন নারীসহ মোট ৫৭ জন বম নাগরিক কারাগারে বন্দি। একপ্রান্তে নিপীড়ন জারি রেখে অন্যপ্রান্তে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আলাপ অর্থহীন।”

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৫নং বন্দুকভাঙা ইউনিয়নে এক প্রতিবন্ধী চাকমা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) ঢাকা মহানগর শাখা। আজ শনিবার বিকেলে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে।
পিসিপি ঢাকা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পায়া ম্রো’র সঞ্চালনায় এবং সভাপতি কনেজ চাকমার সভাপতিত্বে সমাবেশে পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের ওপর চলমান নিপীড়ন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য দীপায়ন খীসা বলেন, “পাহাড়ে ধর্ষণের পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হলেও তারা কয়েক দিন পর কারাগার থেকে বের হয়ে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায়। একজন আদিবাসী কিশোরী আজ তার নিজের বাড়িতেও নিরাপদ নয়।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক বক্তব্যের সূত্র ধরে দীপায়ন খীসা বলেন, “মানবাধিকার ও আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। অথচ বলা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে শতভাগ মানবাধিকার রক্ষা সম্ভব না।” তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, শ্রী এম এন লারমাই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ অধিবেশনে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ ধারণার অবতারণা করেছিলেন।
বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অনন্ত তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “দেশে নতুন সরকার আসলেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি আগের মতোই রয়ে গেছে। দেশে অনিক চাকমাকে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বিনা বিচারে ৭৬৮ দিন ধরে ৮ জন নারীসহ মোট ৫৭ জন বম নাগরিক কারাগারে বন্দি। একপ্রান্তে নিপীড়ন জারি রেখে অন্যপ্রান্তে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আলাপ অর্থহীন।”