চরচা প্রতিবেদক

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার (৪০) মরদেহ মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ। আজ শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উপজেলার ঘোরদৌড় বাজারসংলগ্ন নদী এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুর পুলিশ আগেই তথ্য দিয়েছিল, ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে নদীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছিল। পরে নদীতে একটি মরদেহ ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়।
সফিকুল ইসলাম বলেন, “উদ্ধারের পর ফোরকানের ভাই মো. জব্বার মরদেহটি শনাক্ত করেন। পরে মরদেহটি গাজীপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম বলেন, “মরদেহটির মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক পচন ধরেছে। স্বাভাবিকভাবে দেখে শনাক্ত করা কঠিন ছিল। তবে শরীরের গঠন ও পরনের পোশাক দেখে পরিবারের সদস্যরা এটিকে ফোরকানের মরদেহ বলে নিশ্চিত করেছেন। আমরা এরপরও ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে শনাক্তকরণে কোনো সন্দেহ না থাকে।”
স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যাকাণ্ডের দিনই তিনি পদ্মা সেতু থেকে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি সেতুর সিসিটিভিতে ধরা পড়ে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহ না পাওয়ায় এ নিয়ে নিশ্চিত ছিল না পুলিশ। ঘটনার এক সপ্তাহ পর তার মরদেহ ভেসে উঠল নদীতে।
পুলিশ বলছে, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান নিখোঁজ ছিলেন। পরে মেহেরপুর এলাকা থেকে একটি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়, যাকে ফোরকান বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল।
গত ৯ মে সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা এলাকার একটি বাসা থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন বেগম, তিন মেয়ে মীম, হাবিবা ও ফারিয়া এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, গত ৮ মে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের গলা কেটে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহ, মানসিক অস্থিরতা ও আর্থিক সংকটসহ কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার (৪০) মরদেহ মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ। আজ শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উপজেলার ঘোরদৌড় বাজারসংলগ্ন নদী এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুর পুলিশ আগেই তথ্য দিয়েছিল, ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে নদীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছিল। পরে নদীতে একটি মরদেহ ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়।
সফিকুল ইসলাম বলেন, “উদ্ধারের পর ফোরকানের ভাই মো. জব্বার মরদেহটি শনাক্ত করেন। পরে মরদেহটি গাজীপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম বলেন, “মরদেহটির মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক পচন ধরেছে। স্বাভাবিকভাবে দেখে শনাক্ত করা কঠিন ছিল। তবে শরীরের গঠন ও পরনের পোশাক দেখে পরিবারের সদস্যরা এটিকে ফোরকানের মরদেহ বলে নিশ্চিত করেছেন। আমরা এরপরও ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে শনাক্তকরণে কোনো সন্দেহ না থাকে।”
স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যাকাণ্ডের দিনই তিনি পদ্মা সেতু থেকে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি সেতুর সিসিটিভিতে ধরা পড়ে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহ না পাওয়ায় এ নিয়ে নিশ্চিত ছিল না পুলিশ। ঘটনার এক সপ্তাহ পর তার মরদেহ ভেসে উঠল নদীতে।
পুলিশ বলছে, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান নিখোঁজ ছিলেন। পরে মেহেরপুর এলাকা থেকে একটি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়, যাকে ফোরকান বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল।
গত ৯ মে সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা এলাকার একটি বাসা থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন বেগম, তিন মেয়ে মীম, হাবিবা ও ফারিয়া এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, গত ৮ মে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের গলা কেটে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহ, মানসিক অস্থিরতা ও আর্থিক সংকটসহ কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভারত আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী। আমরা প্রতিবেশীর সঙ্গে কখনোই ঝগড়া-বিবাদ করে চলার পক্ষপাতী নই, আমরা সুসম্পর্ক চাই। কিন্তু যখন আমাদের সীমান্তে আমাদের নিরপরাধ নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করা হয়, তখন তা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না।”