চরচা ডেস্ক

আলোচিত ও সমালোচিত যৌন নিপীড়ক প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশের পর লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসন। তিনি জানিয়েছেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার অতীত সম্পর্ক নিয়ে যাতে আর কোনো ‘বিব্রতকর পরিস্থিতি’ সৃষ্টি না হয়, সে জন্যই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত তার।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
গত বছর এপস্টাইনের সঙ্গে তার যোগাযোগ সংক্রান্ত ইমেইল প্রকাশ্যে আসার পর ওয়াশিংটনে লন্ডনের শীর্ষ প্রতিনিধি পদ থেকে ম্যান্ডেলসনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
গত শুক্রবার আমেরিকার কুখ্যাত প্রয়াত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত আরও নতুন নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথি থেকে বেশ কয়েক লাখ পৃষ্ঠা উন্মোচন করার পর বিশ্বজুড়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যায়। নতুন এসব নথিতে ৭২ বছর বয়সী ম্যান্ডেলসনের নাম এসেছে।
এপস্টেইনের নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে লর্ড ম্যান্ডেলসনকে তিনটি পৃথক লেনদেনে ২৫ হাজার ডলার করে সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার ডলার দিয়েছিলেন এপস্টেইন।
এ তথ্য প্রকাশের পর লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদককে চিঠি দিয়ে দলের সদস্যপদ ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান লেবার পার্টির প্রভাবশালী এই রাজনীতিক। চিঠিতে তিনি লেখেন, “সপ্তাহের শেষের দিকে জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে সৃষ্টি হওয়া ক্ষোভের সঙ্গে আমি আরও যুক্ত হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত বোধ করছি।”
ম্যান্ডেলসন আরও লেখেন, “২০ বছর আগে তিনি (জেফরি এপস্টেইন) আমাকে অর্থ দিয়েছিলেন, এমন অভিযোগ আমি মিথ্যা বলেই মনে করি। এর কোনো নথি কিংবা স্মৃতি এখন আমার নেই। এসব আমাকে যাচাই করতে হবে।”
চিঠিতে তিনি আরও লেখেন, “এই বিষয়গুলো যাচাই করার সময় আমি লেবার পার্টির জন্য আর কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাই না, তাই আমি দলের সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।”
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও গর্ডনব্রাউনের প্রশাসনে মন্ত্রী ছিলেন ম্যান্ডেলসন। এ ছাড়া তিনি ১৯৯২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসের সদস্য ছিলেন।

আলোচিত ও সমালোচিত যৌন নিপীড়ক প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশের পর লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসন। তিনি জানিয়েছেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার অতীত সম্পর্ক নিয়ে যাতে আর কোনো ‘বিব্রতকর পরিস্থিতি’ সৃষ্টি না হয়, সে জন্যই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত তার।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
গত বছর এপস্টাইনের সঙ্গে তার যোগাযোগ সংক্রান্ত ইমেইল প্রকাশ্যে আসার পর ওয়াশিংটনে লন্ডনের শীর্ষ প্রতিনিধি পদ থেকে ম্যান্ডেলসনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
গত শুক্রবার আমেরিকার কুখ্যাত প্রয়াত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত আরও নতুন নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথি থেকে বেশ কয়েক লাখ পৃষ্ঠা উন্মোচন করার পর বিশ্বজুড়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যায়। নতুন এসব নথিতে ৭২ বছর বয়সী ম্যান্ডেলসনের নাম এসেছে।
এপস্টেইনের নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে লর্ড ম্যান্ডেলসনকে তিনটি পৃথক লেনদেনে ২৫ হাজার ডলার করে সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার ডলার দিয়েছিলেন এপস্টেইন।
এ তথ্য প্রকাশের পর লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদককে চিঠি দিয়ে দলের সদস্যপদ ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান লেবার পার্টির প্রভাবশালী এই রাজনীতিক। চিঠিতে তিনি লেখেন, “সপ্তাহের শেষের দিকে জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে সৃষ্টি হওয়া ক্ষোভের সঙ্গে আমি আরও যুক্ত হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত বোধ করছি।”
ম্যান্ডেলসন আরও লেখেন, “২০ বছর আগে তিনি (জেফরি এপস্টেইন) আমাকে অর্থ দিয়েছিলেন, এমন অভিযোগ আমি মিথ্যা বলেই মনে করি। এর কোনো নথি কিংবা স্মৃতি এখন আমার নেই। এসব আমাকে যাচাই করতে হবে।”
চিঠিতে তিনি আরও লেখেন, “এই বিষয়গুলো যাচাই করার সময় আমি লেবার পার্টির জন্য আর কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাই না, তাই আমি দলের সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।”
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও গর্ডনব্রাউনের প্রশাসনে মন্ত্রী ছিলেন ম্যান্ডেলসন। এ ছাড়া তিনি ১৯৯২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসের সদস্য ছিলেন।