চরচা প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত দুই মাসে সরকারের নেওয়া ইতিবাচক কাজগুলোতে সহযোগিতা না করে বিরোধী দল প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।”
আজ শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম, এই অল্প সময়ের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় সরকার যে সমস্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে, বিরোধী দল সেই কাজের জন্য সামগ্রিকভাবে সহযোগিতা করবে। কিন্তু আমরা দেখলাম, তারা সেটি না করে সংসদে হট্টগোল করা, রাজপথে আন্দোলনের হুমকি, গুজব-অপপ্রচার ছড়ানোসহ বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে, যা দেশের অগ্রযাত্রার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।”
তিনি বলেন, “অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয় প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান এই বছর বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইমের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, অসীম সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি গত দুই মাসে সরকারের নেওয়া ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত দুই মাসে সরকারের নেওয়া ইতিবাচক কাজগুলোতে সহযোগিতা না করে বিরোধী দল প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।”
আজ শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম, এই অল্প সময়ের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় সরকার যে সমস্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে, বিরোধী দল সেই কাজের জন্য সামগ্রিকভাবে সহযোগিতা করবে। কিন্তু আমরা দেখলাম, তারা সেটি না করে সংসদে হট্টগোল করা, রাজপথে আন্দোলনের হুমকি, গুজব-অপপ্রচার ছড়ানোসহ বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে, যা দেশের অগ্রযাত্রার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।”
তিনি বলেন, “অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয় প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান এই বছর বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইমের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, অসীম সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি গত দুই মাসে সরকারের নেওয়া ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, যদি আপনি পড়াশোনা ছেড়ে দেন, ক্লাসে অনুপস্থিত থাকেন অথবা আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে আপনার কোর্স বা প্রোগ্রাম ত্যাগ করেন, তবে আপনার স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসার জন্য আপনি অযোগ্য হয়ে পড়তে পারেন।