ফ্রান্স ২ : ০ মরক্কো
চরচা ডেস্ক

খেলার ধরন বিবেচনায় কোয়ার্টার ফাইনালের দলগুলোর মধ্যে মরক্কো আর সুইজারল্যান্ডেরই সম্ভবত ফ্রান্সকে আটকানোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ছিল। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে যেহেতু ফাইনালের আগে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাই মরক্কোকেই দেখা হচ্ছিল সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে।
স্পেন, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ডের মতো দল ফ্রান্সের বিপক্ষে জিতলে সেটা হবে নির্দিষ্ট দিনে আক্রমণের খেলোয়াড়দের দক্ষতার কারণে। বাকি দলগুলোর চেয়ে ধারে-ভারে কিছুটা পিছিয়ে থাকায়, ডিফেন্সিভ ফুটবল খেলায় দক্ষতার কারণেই মরক্কোর যা কিছু সম্ভাবনা আছে বলে মনে হচ্ছিল অনেকের।
কিন্তু বোস্টনে আজ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ৯০ মিনিটজুড়ে যা হলো, সেটা বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সমাধান-অসাধ্য মনে হওয়া প্রশ্নটাকেই আবার সামনে আনল – এই ফ্রান্সকে কেউ আটকাতে পারবে? এমবাপ্পে, দেম্বেলে, ওলিসেদের ফুটবল কাল মরক্কোকে বুঝিয়ে দিল, এই ফ্রান্সকে আটকানো মুশকিলই নয়, অসম্ভবও বটে।
স্কোরলাইন বলবে, ম্যাচে ২-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। চার বছর আগে কাতারে সেমিফাইনালেও মরক্কোর বিপক্ষে এই ব্যবধানেই জিতেছিল দিদিয়ের দেশঁর দল। কিন্তু ম্যাচের গল্পটা বলবে, ইয়াসিন বুনু বারবার বাধা হয়ে না দাঁড়ালে এই ম্যাচে পাঁচ-ছয় গোলও পেতে পারত ফ্রান্স। প্রথমার্ধেই মরক্কোর একটি শটের বিপরীতে ফ্রান্সের শট ছিল ১৩টি!
দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ থেকে ৬৬ – এই সাত মিনিটেই গোল দুটি পেয়ে গেছে ফ্রান্স। ৬০ মিনিটে যখন আক্ষরিক অর্থেই ‘কামেথ দ্য আওয়ার’, ‘কামেথ দ্য ম্যান’ এমবাপ্পে! প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন। ফ্রান্সের একের পর এক শট বুনুর হাতে ফিরতে দেখেছেন। কিন্তু এমবাপ্পেকেও তাতেও আটকানো গেলে তো! ট্রেডমার্ক ফিনিশে এগিয়ে দিলেন ফ্রান্সকে।
ছয় মিনিট পর বনে গেলেন সাহায্যকারী। দেম্বেলের গোল এল এমবাপ্পের পাস থেকে। মরক্কো সেখান থেকে আর ফিরতে হবে, সেই বিশ্বাস মরক্কোরই-বা কতটা ছিল, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
আলোচনা নিশ্চিতভাবেই হচ্ছে এ নিয়ে যে, এই ফ্রান্সকে আটকানো কি আর কারও পক্ষে সম্ভব? সেমিফাইনালে স্পেন বা বেলজিয়ামের যারাই আসুক, ফ্রান্সকে টানা তৃতীয় ফাইনাল থেকে দূরে রাখা কঠিনই হবে তাদের জন্য।

খেলার ধরন বিবেচনায় কোয়ার্টার ফাইনালের দলগুলোর মধ্যে মরক্কো আর সুইজারল্যান্ডেরই সম্ভবত ফ্রান্সকে আটকানোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ছিল। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে যেহেতু ফাইনালের আগে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাই মরক্কোকেই দেখা হচ্ছিল সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে।
স্পেন, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ডের মতো দল ফ্রান্সের বিপক্ষে জিতলে সেটা হবে নির্দিষ্ট দিনে আক্রমণের খেলোয়াড়দের দক্ষতার কারণে। বাকি দলগুলোর চেয়ে ধারে-ভারে কিছুটা পিছিয়ে থাকায়, ডিফেন্সিভ ফুটবল খেলায় দক্ষতার কারণেই মরক্কোর যা কিছু সম্ভাবনা আছে বলে মনে হচ্ছিল অনেকের।
কিন্তু বোস্টনে আজ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ৯০ মিনিটজুড়ে যা হলো, সেটা বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সমাধান-অসাধ্য মনে হওয়া প্রশ্নটাকেই আবার সামনে আনল – এই ফ্রান্সকে কেউ আটকাতে পারবে? এমবাপ্পে, দেম্বেলে, ওলিসেদের ফুটবল কাল মরক্কোকে বুঝিয়ে দিল, এই ফ্রান্সকে আটকানো মুশকিলই নয়, অসম্ভবও বটে।
স্কোরলাইন বলবে, ম্যাচে ২-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। চার বছর আগে কাতারে সেমিফাইনালেও মরক্কোর বিপক্ষে এই ব্যবধানেই জিতেছিল দিদিয়ের দেশঁর দল। কিন্তু ম্যাচের গল্পটা বলবে, ইয়াসিন বুনু বারবার বাধা হয়ে না দাঁড়ালে এই ম্যাচে পাঁচ-ছয় গোলও পেতে পারত ফ্রান্স। প্রথমার্ধেই মরক্কোর একটি শটের বিপরীতে ফ্রান্সের শট ছিল ১৩টি!
দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ থেকে ৬৬ – এই সাত মিনিটেই গোল দুটি পেয়ে গেছে ফ্রান্স। ৬০ মিনিটে যখন আক্ষরিক অর্থেই ‘কামেথ দ্য আওয়ার’, ‘কামেথ দ্য ম্যান’ এমবাপ্পে! প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন। ফ্রান্সের একের পর এক শট বুনুর হাতে ফিরতে দেখেছেন। কিন্তু এমবাপ্পেকেও তাতেও আটকানো গেলে তো! ট্রেডমার্ক ফিনিশে এগিয়ে দিলেন ফ্রান্সকে।
ছয় মিনিট পর বনে গেলেন সাহায্যকারী। দেম্বেলের গোল এল এমবাপ্পের পাস থেকে। মরক্কো সেখান থেকে আর ফিরতে হবে, সেই বিশ্বাস মরক্কোরই-বা কতটা ছিল, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
আলোচনা নিশ্চিতভাবেই হচ্ছে এ নিয়ে যে, এই ফ্রান্সকে আটকানো কি আর কারও পক্ষে সম্ভব? সেমিফাইনালে স্পেন বা বেলজিয়ামের যারাই আসুক, ফ্রান্সকে টানা তৃতীয় ফাইনাল থেকে দূরে রাখা কঠিনই হবে তাদের জন্য।