চরচা ডেস্ক

কী অদ্ভুত মিল দুজনের সর্বশেষ ম্যাচের পারফরম্যান্সে!
মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে মেসি একটা পেনাল্টি মিস করলেন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে এক গোল আর এক অ্যাসিস্টে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিলেন। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া আর্জেন্টিনা সেদিন মেসির চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সেই সমতায় ফিরেছিল, শেষ পর্যন্ত এনসো ফের্নান্দেসের গোলে তো জিতেই গেল ৩-২ ব্যবধানে।
ফ্রান্সের অত নাটকীয়তার দরকার পড়েনি, মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে কাল সহজেই ২-০ গোলে জিতেছে ফ্রান্স। কিন্তু সে পথে এমবাপ্পে হয়ে গেলেন ‘মেসি।’ ম্যাচের ২৮ মিনিটে একটা পেনাল্টি মিস করলেন ফ্রান্স অধিনায়ক। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে এক গোল আর এক অ্যাসিস্টে দলকে জিতিয়ে দিলেন।
এতে একটি রেকর্ডে মেসিকে ধরে ফেলার খুব কাছে চলে গেলেন এমবাপ্পে, আরেক দৌড়ে মেসিকে ছাড়িয়েও গেলেন।
কোন রেকর্ড? এই গোলেই বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচে ২০ গোল হয়ে গেল এমবাপ্পের! মিশরের বিপক্ষে গোলটি ছিল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসির ২১তম। এবারই মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যান কি না এমবাপ্পে, সেটা এখন বড় প্রশ্ন।
অন্যদিকে এবারের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসিকে আবার পেছনে ফেলে দিয়েছেন এমবাপ্পে। গোলের হিসাবে এখনো মেসির সমতায়ই আছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড – এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুজনের গোল ৮টি করে। তবে গোল সংখ্যায় সমতা থাকলে অ্যাসিস্টের হিসাবই তো সামনে আসে, সেখানে মেসিকে ছাড়িয়ে এগিয়ে যান এমবাপ্পে। গতকাল দেম্বেলের গোলে শেষ পাসটি দেওয়া এমবাপ্পের এবারের বিশ্বকাপে অ্যাসিস্ট হলো ৩টি, অন্যদিকে সতীর্থদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেও মেসির অ্যাসিস্ট এখন পর্যন্ত মাত্র একটি।
টানা তৃতীয় ফাইনাল, তিন বিশ্বকাপে দুই শিরোপার হাতছানি ফ্রান্সের, এর মধ্যে এমবাপ্পেকে হাতছানি দিচ্ছে একাধিক – সেটাও টানা দুই – বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতা প্রথম খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড।

কী অদ্ভুত মিল দুজনের সর্বশেষ ম্যাচের পারফরম্যান্সে!
মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে মেসি একটা পেনাল্টি মিস করলেন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে এক গোল আর এক অ্যাসিস্টে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিলেন। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া আর্জেন্টিনা সেদিন মেসির চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সেই সমতায় ফিরেছিল, শেষ পর্যন্ত এনসো ফের্নান্দেসের গোলে তো জিতেই গেল ৩-২ ব্যবধানে।
ফ্রান্সের অত নাটকীয়তার দরকার পড়েনি, মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে কাল সহজেই ২-০ গোলে জিতেছে ফ্রান্স। কিন্তু সে পথে এমবাপ্পে হয়ে গেলেন ‘মেসি।’ ম্যাচের ২৮ মিনিটে একটা পেনাল্টি মিস করলেন ফ্রান্স অধিনায়ক। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে এক গোল আর এক অ্যাসিস্টে দলকে জিতিয়ে দিলেন।
এতে একটি রেকর্ডে মেসিকে ধরে ফেলার খুব কাছে চলে গেলেন এমবাপ্পে, আরেক দৌড়ে মেসিকে ছাড়িয়েও গেলেন।
কোন রেকর্ড? এই গোলেই বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচে ২০ গোল হয়ে গেল এমবাপ্পের! মিশরের বিপক্ষে গোলটি ছিল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসির ২১তম। এবারই মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যান কি না এমবাপ্পে, সেটা এখন বড় প্রশ্ন।
অন্যদিকে এবারের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসিকে আবার পেছনে ফেলে দিয়েছেন এমবাপ্পে। গোলের হিসাবে এখনো মেসির সমতায়ই আছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড – এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুজনের গোল ৮টি করে। তবে গোল সংখ্যায় সমতা থাকলে অ্যাসিস্টের হিসাবই তো সামনে আসে, সেখানে মেসিকে ছাড়িয়ে এগিয়ে যান এমবাপ্পে। গতকাল দেম্বেলের গোলে শেষ পাসটি দেওয়া এমবাপ্পের এবারের বিশ্বকাপে অ্যাসিস্ট হলো ৩টি, অন্যদিকে সতীর্থদের জন্য সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেও মেসির অ্যাসিস্ট এখন পর্যন্ত মাত্র একটি।
টানা তৃতীয় ফাইনাল, তিন বিশ্বকাপে দুই শিরোপার হাতছানি ফ্রান্সের, এর মধ্যে এমবাপ্পেকে হাতছানি দিচ্ছে একাধিক – সেটাও টানা দুই – বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতা প্রথম খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড।