নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বন্যা কবলিত মানুষের পাশে সরকার আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। আজ শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম জেলায় এই পর্যন্ত ৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেয়া হবে। জেলায় ৬৫০টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ২৫ হাজারের ওপরে। তাদের শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।“
পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ বিষয়ে সরকারি খাস ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কিনা, তা বিবেচনা করা হচ্ছে। নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বেশি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করলে তার বিরূপ প্রভাব পড়বেই।“
বন্যা পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে এবং সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।“
শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরো সরবরাহ করা হবে। বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।“
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বন্যা কবলিত মানুষের পাশে সরকার আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। আজ শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম জেলায় এই পর্যন্ত ৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেয়া হবে। জেলায় ৬৫০টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ২৫ হাজারের ওপরে। তাদের শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।“
পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ বিষয়ে সরকারি খাস ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কিনা, তা বিবেচনা করা হচ্ছে। নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বেশি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করলে তার বিরূপ প্রভাব পড়বেই।“
বন্যা পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে এবং সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।“
শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরো সরবরাহ করা হবে। বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।“
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।