চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীতে চলাচলকারী গণপরিবহনে ই-টিকিট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহরতলীর সব রুটের বাসে এই পরিবর্তন আনা হবে। তবে ই-টিকিটিং পদ্ধতিতে যারা টিকিট কাটতে পারবেন না, তাদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টারে থাকবে টিকিট মাস্টার। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের হাফ–ভাড়াও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে যুক্ত রয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়ন। আর এই পদ্ধতি বাস্তবায়নে কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে আরবানমুভ টেক।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে কাউন্টারভিত্তিক ও ই-টিকিটিং পদ্ধতিতে বাস চলাচলের এই সিদ্ধান্ত। এটি বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক এবং যাত্রী–সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
লিখিত বক্তব্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, “বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আরবানমুভ টেক ই-টিকিটিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই পদ্ধতি কার্যকর হলে রাস্তায় যানজট কমবে, অসম প্রতিযোগিতায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হবে, দুর্ঘটনা কমিয়ে যাত্রী সাধারণের চলাচলে নিরাপত্তা, আরাম, সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং রাস্তায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে।”
সাইফুল আলম বলেন, “বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনায় যৌথভাবে ই–টিকিটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটান পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা প্রশাসন ঢাকা ও মানিকগঞ্জ, হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট পরিবহন শ্রমিক, পরিবহন কোম্পানি ও প্রশাসনের সঙ্গে আট মাস ধরে দফায় দফায় আলোচনা সভা, কাউন্সেলিং সভা ও মতবিনিময় করা হয়েছে।
এ সময় আরবানমুভ টেকের এমডি জুনায়েদ আবদুল্লাহ বলেন, ঢাকার আট শর বেশি বাস স্টপেজে কিউআর কোড দেওয়া থাকবে। যাত্রীরা সেটা স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন না, তাদের জন্য থাকবেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিট মাস্টার। তাদের কাছ থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

রাজধানীতে চলাচলকারী গণপরিবহনে ই-টিকিট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহরতলীর সব রুটের বাসে এই পরিবর্তন আনা হবে। তবে ই-টিকিটিং পদ্ধতিতে যারা টিকিট কাটতে পারবেন না, তাদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টারে থাকবে টিকিট মাস্টার। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের হাফ–ভাড়াও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে যুক্ত রয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়ন। আর এই পদ্ধতি বাস্তবায়নে কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে আরবানমুভ টেক।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে কাউন্টারভিত্তিক ও ই-টিকিটিং পদ্ধতিতে বাস চলাচলের এই সিদ্ধান্ত। এটি বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক এবং যাত্রী–সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
লিখিত বক্তব্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, “বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আরবানমুভ টেক ই-টিকিটিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই পদ্ধতি কার্যকর হলে রাস্তায় যানজট কমবে, অসম প্রতিযোগিতায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হবে, দুর্ঘটনা কমিয়ে যাত্রী সাধারণের চলাচলে নিরাপত্তা, আরাম, সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং রাস্তায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে।”
সাইফুল আলম বলেন, “বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনায় যৌথভাবে ই–টিকিটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটান পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা প্রশাসন ঢাকা ও মানিকগঞ্জ, হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট পরিবহন শ্রমিক, পরিবহন কোম্পানি ও প্রশাসনের সঙ্গে আট মাস ধরে দফায় দফায় আলোচনা সভা, কাউন্সেলিং সভা ও মতবিনিময় করা হয়েছে।
এ সময় আরবানমুভ টেকের এমডি জুনায়েদ আবদুল্লাহ বলেন, ঢাকার আট শর বেশি বাস স্টপেজে কিউআর কোড দেওয়া থাকবে। যাত্রীরা সেটা স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন না, তাদের জন্য থাকবেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিট মাস্টার। তাদের কাছ থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।