চরচা ডেস্ক

মাদারীপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের মৃত্যু এবং ঢাকার পল্লবীতে একটি চাঞ্চল্যকর মামলার বাদীকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ সোমবার এক সংবাদ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে রাসেল কাজী নামে এক যুবক আটক হন। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে তাকে আটক করার পর অভিযানের সময় নির্যাতনের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকার পল্লবী এলাকা থেকে ইমতিয়াজ হোসেন রকিকে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই আটক করে মিরপুর দারুস সালাম সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে । রকি ২০১৪ সালে পুলিশ হেফাজতে নিহত ইশতিয়াক হোসেন জনি হত্যা মামলার বাদী।
পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, রকিকে একটি অবৈধ অস্ত্রের পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলা হয়েছে পাশাপাশি তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তার পরিণতি খারাপ হবে । পড়ার সুযোগ না দিয়েই তাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়েছে।
আসক দাবি করেছে, জনি হত্যা মামলাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় শাস্তির নজির স্থাপনকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা । একজন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যকে এভাবে মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা এবং মানসিক চাপ প্রয়োগ করা সংবিধানের ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদসহ ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩’-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এই দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে আসক।

মাদারীপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের মৃত্যু এবং ঢাকার পল্লবীতে একটি চাঞ্চল্যকর মামলার বাদীকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ সোমবার এক সংবাদ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে রাসেল কাজী নামে এক যুবক আটক হন। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে তাকে আটক করার পর অভিযানের সময় নির্যাতনের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকার পল্লবী এলাকা থেকে ইমতিয়াজ হোসেন রকিকে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই আটক করে মিরপুর দারুস সালাম সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে । রকি ২০১৪ সালে পুলিশ হেফাজতে নিহত ইশতিয়াক হোসেন জনি হত্যা মামলার বাদী।
পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, রকিকে একটি অবৈধ অস্ত্রের পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলা হয়েছে পাশাপাশি তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তার পরিণতি খারাপ হবে । পড়ার সুযোগ না দিয়েই তাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়েছে।
আসক দাবি করেছে, জনি হত্যা মামলাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় শাস্তির নজির স্থাপনকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা । একজন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যকে এভাবে মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা এবং মানসিক চাপ প্রয়োগ করা সংবিধানের ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদসহ ‘হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩’-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এই দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে আসক।