চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি এবং গুলিবর্ষণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। আজ সোমবার র্যাব-৪ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার কে. এন. রায় নিয়তি বলেন, “রোববার দিবাগত রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, রানা (৩১), মো. সাগর শেখ (২৮), মো. কালু (২৮) ও শশী (২২)।
মামলার এজাহার ও গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভুক্তভোগী এ কে এম অ্যাপারেলস নামের একটি গার্মেন্টস কারখানার মালিক। গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় তিনি কারখানার অফিস কক্ষে বসে কাজ করছিলেন। এ সময় ১২-১৩ জনের একটি সশস্ত্র দল অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, বাদী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুইজন অস্ত্র বের করে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে দুর্বৃত্তরা অফিস কক্ষের লকার ভাঙচুর করে এবং তিন দিনের মধ্যে এক কোটি টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় তারা সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর ও হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
র্যাব জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে চারজনকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রানা (৩১)। গার্মেন্টস কারখানাটি তুলনামূলক নির্জন এলাকায় এবং যাতায়াতের রাস্তা কিছুটা অনুন্নত হওয়ায় সেটিকে টার্গেট করা হয়। ঘটনার আগে রানা কারখানায় গিয়ে আশপাশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।
র্যাব আরও জানায়, রানা ধারণা করেছিল ভয়ভীতি দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা সম্ভব হবে। পরে সে সহযোগীদের নিয়ে অস্ত্রসহ মালিকের কক্ষে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
কোম্পানি কমান্ডার কে. এন. রায় নিয়তি জানায়, গ্রেপ্তাররা ঢাকা মহানগরীর মিরপুর, কাফরুল ও আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে র্যাব।

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি এবং গুলিবর্ষণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। আজ সোমবার র্যাব-৪ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার কে. এন. রায় নিয়তি বলেন, “রোববার দিবাগত রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, রানা (৩১), মো. সাগর শেখ (২৮), মো. কালু (২৮) ও শশী (২২)।
মামলার এজাহার ও গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভুক্তভোগী এ কে এম অ্যাপারেলস নামের একটি গার্মেন্টস কারখানার মালিক। গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় তিনি কারখানার অফিস কক্ষে বসে কাজ করছিলেন। এ সময় ১২-১৩ জনের একটি সশস্ত্র দল অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, বাদী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুইজন অস্ত্র বের করে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে দুর্বৃত্তরা অফিস কক্ষের লকার ভাঙচুর করে এবং তিন দিনের মধ্যে এক কোটি টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় তারা সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর ও হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
র্যাব জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে চারজনকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রানা (৩১)। গার্মেন্টস কারখানাটি তুলনামূলক নির্জন এলাকায় এবং যাতায়াতের রাস্তা কিছুটা অনুন্নত হওয়ায় সেটিকে টার্গেট করা হয়। ঘটনার আগে রানা কারখানায় গিয়ে আশপাশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।
র্যাব আরও জানায়, রানা ধারণা করেছিল ভয়ভীতি দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা সম্ভব হবে। পরে সে সহযোগীদের নিয়ে অস্ত্রসহ মালিকের কক্ষে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
কোম্পানি কমান্ডার কে. এন. রায় নিয়তি জানায়, গ্রেপ্তাররা ঢাকা মহানগরীর মিরপুর, কাফরুল ও আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে র্যাব।

এক সরকারের দুর্নীতি এবং আরেক সরকারের ভুল নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। আজ সোমবার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেশব্যাপী ‘হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।