চরচা ডেস্ক

নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ৬ থেকে ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, প্রতিবেশি ফেরদৌস হোসেন এবং খায়ের গ্রুপের সাবেক চেয়ারম্যান ওসিবুর মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিলের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে আজ ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও একই পক্ষের ফেরদৌস হোসেন নিহত হন।
এ সময় গুরুতর আহত খায়ের গ্রুপের ওসিবুরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ৬ থেকে ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, প্রতিবেশি ফেরদৌস হোসেন এবং খায়ের গ্রুপের সাবেক চেয়ারম্যান ওসিবুর মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিলের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে আজ ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও একই পক্ষের ফেরদৌস হোসেন নিহত হন।
এ সময় গুরুতর আহত খায়ের গ্রুপের ওসিবুরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।