চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাতে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে সর্বস্ব খোয়ালেন মো. কামরুল ইসলাম নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অচেতন অবস্থায় গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাত থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে পথচারীরা তাকে দ্রুত ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম যশোরের মনিরামপুর উপজেলার পার্খাজুড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পথচারী আমিনুল ইসলাম জানান, বিকেলের দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের ফুটপাতে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন তার কাঁধে একটি ব্যাগ ও কোমরে একটি ছোট বেল্ট ব্যাগ ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় তিনি কথা বলতে পারছিলেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী এবং সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে বাসে করে যশোরের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।
আমিনুল আরও জানান, ওই যুবক বলেন তার সঙ্গে একটি বড় লাগেজ ছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসযাত্রার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য খাইয়ে তার লাগেজ, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। তার কাছে কেবল কাঁধের একটি ব্যাগ ও বেল্টের ছোট ব্যাগটি ছিল। ওই বেল্ট ব্যাগ থেকেই তার পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।
পরে ওই যুবক আবারও অচেতন হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মেডিসিন ভবনের ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
পথচারীরা জানান, বেল্ট ব্যাগে থাকা মানিব্যাগে কয়েকটি মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। সেই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাতে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে সর্বস্ব খোয়ালেন মো. কামরুল ইসলাম নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অচেতন অবস্থায় গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাত থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে পথচারীরা তাকে দ্রুত ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম যশোরের মনিরামপুর উপজেলার পার্খাজুড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পথচারী আমিনুল ইসলাম জানান, বিকেলের দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের ফুটপাতে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন তার কাঁধে একটি ব্যাগ ও কোমরে একটি ছোট বেল্ট ব্যাগ ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় তিনি কথা বলতে পারছিলেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী এবং সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে বাসে করে যশোরের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।
আমিনুল আরও জানান, ওই যুবক বলেন তার সঙ্গে একটি বড় লাগেজ ছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসযাত্রার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য খাইয়ে তার লাগেজ, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। তার কাছে কেবল কাঁধের একটি ব্যাগ ও বেল্টের ছোট ব্যাগটি ছিল। ওই বেল্ট ব্যাগ থেকেই তার পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।
পরে ওই যুবক আবারও অচেতন হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মেডিসিন ভবনের ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
পথচারীরা জানান, বেল্ট ব্যাগে থাকা মানিব্যাগে কয়েকটি মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। সেই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।