বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহত হওয়ার প্রতিবাদে চার দফা দাবিতে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা ববির ৩ নম্বর গেটের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একদল শিক্ষার্থী।
এদিকে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়। এতে তীব্র গরম রোদ উপেক্ষা করে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ অসংখ্য শিশু-বৃদ্ধসহ সব বয়সীদের পায়ে হেঁটে যেতে হয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের সামনে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, অভিযুক্ত চালককে গ্রেপ্তার, মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ স্থায়ীভাবে মোতায়েন ও আহত শিক্ষার্থীর ক্ষতিপূরণ দাবি করে।
ববির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফ আলম খান বলেন, “গতকাল দুপুরে আমাদের ছোট ভাইকে একটি তেলবাহী গাড়ি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। সে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। মালিকপক্ষ সকাল ১০টার মধ্যে আসার কথা বললেও তারা আসেনি। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে নামব।”
আরেক শিক্ষার্থী আকিবুল ইসলাম বলেন, “সড়কে আর কত রক্ত দিলে পরিস্থিতি বদলাবে? আমরা বারবার প্রশাসনকে জানিয়েছি, কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”
বরগুনাগামী যাত্রী রহিমা বেগম বলেন, “ডাক্তার দেখানোর জন্য বরিশালে আসছিলাম। ফেরার পথে এই ঝামেলার ভিতর পড়লাম। কয়েক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। দ্রুত রাস্তাটা ছেড়ে ভিন্ন উপায়ে আন্দোলন করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
বাসযাত্রী বৃদ্ধ আবদুর রহমান বলেন, “বরিশাল থেকে নাতিসহ পরিবারের লোকজন নিয়ে পটুয়াখালী ফিরছিলাম। অবরোধের কারণে বাচ্চা শিশুকে কোলে নিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছি। যেকোন উপায়ে দ্রুত বাড়ি না ফিরতে পারলে বাচ্চাশিশু আরও অসুস্থ হয়ে যাবে।”
বরিশাল নগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, মহাসড়ক ছেড়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা, তবে সমস্যার সমাধান হয়নি। তেলবাহী গাড়িটি আটক রয়েছে। মালিক পক্ষ এলে সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে জানান তিনি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহত হওয়ার প্রতিবাদে চার দফা দাবিতে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা ববির ৩ নম্বর গেটের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একদল শিক্ষার্থী।
এদিকে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়। এতে তীব্র গরম রোদ উপেক্ষা করে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ অসংখ্য শিশু-বৃদ্ধসহ সব বয়সীদের পায়ে হেঁটে যেতে হয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের সামনে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, অভিযুক্ত চালককে গ্রেপ্তার, মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ স্থায়ীভাবে মোতায়েন ও আহত শিক্ষার্থীর ক্ষতিপূরণ দাবি করে।
ববির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফ আলম খান বলেন, “গতকাল দুপুরে আমাদের ছোট ভাইকে একটি তেলবাহী গাড়ি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। সে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। মালিকপক্ষ সকাল ১০টার মধ্যে আসার কথা বললেও তারা আসেনি। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে নামব।”
আরেক শিক্ষার্থী আকিবুল ইসলাম বলেন, “সড়কে আর কত রক্ত দিলে পরিস্থিতি বদলাবে? আমরা বারবার প্রশাসনকে জানিয়েছি, কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”
বরগুনাগামী যাত্রী রহিমা বেগম বলেন, “ডাক্তার দেখানোর জন্য বরিশালে আসছিলাম। ফেরার পথে এই ঝামেলার ভিতর পড়লাম। কয়েক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। দ্রুত রাস্তাটা ছেড়ে ভিন্ন উপায়ে আন্দোলন করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
বাসযাত্রী বৃদ্ধ আবদুর রহমান বলেন, “বরিশাল থেকে নাতিসহ পরিবারের লোকজন নিয়ে পটুয়াখালী ফিরছিলাম। অবরোধের কারণে বাচ্চা শিশুকে কোলে নিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছি। যেকোন উপায়ে দ্রুত বাড়ি না ফিরতে পারলে বাচ্চাশিশু আরও অসুস্থ হয়ে যাবে।”
বরিশাল নগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, মহাসড়ক ছেড়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা, তবে সমস্যার সমাধান হয়নি। তেলবাহী গাড়িটি আটক রয়েছে। মালিক পক্ষ এলে সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে জানান তিনি।

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামে ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারীসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দেওয়া চার্জশিট আমলে গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদাল