চরচা ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থানকালে আটক কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তার বোন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
আটকের কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
মুক্তি পাওয়ার পর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদ করা মৌলিক অধিকার। যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা আমাদের আওয়াজ তুলব। শুরু থেকেই আমাদের দাবি একই এবং তা এখনও অপরিবর্তিত। ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। এ নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হওয়া উচিত। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বক্তব্যও গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে।”
এর আগে ভারতের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষারে (নিট) প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তরে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেন। পরে সেখান থেকে তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর আঘাত মানে ভারতের প্রতিটি পরিবারের ওপর আঘাত। প্রধানমন্ত্রী মোদি ভাবছেন তিনি কোনো জবাব না দিয়ে, কোনো পরিণতি ভোগ না করেই পার পেয়ে যাবেন। তা হতে পারে না–অন্তত এবার নয়। দেশপ্রেমী যে সকল ভারতীয় বিশ্বাস করেন আমাদের শিক্ষার্থীরা বিচার পাওয়ার যোগ্য, আমি তাদের সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনা কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। ভারতের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা যাবে না।”
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থানকালে আটক কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তার বোন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
আটকের কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
মুক্তি পাওয়ার পর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদ করা মৌলিক অধিকার। যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা আমাদের আওয়াজ তুলব। শুরু থেকেই আমাদের দাবি একই এবং তা এখনও অপরিবর্তিত। ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। এ নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হওয়া উচিত। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বক্তব্যও গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে।”
এর আগে ভারতের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষারে (নিট) প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তরে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেন। পরে সেখান থেকে তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর আঘাত মানে ভারতের প্রতিটি পরিবারের ওপর আঘাত। প্রধানমন্ত্রী মোদি ভাবছেন তিনি কোনো জবাব না দিয়ে, কোনো পরিণতি ভোগ না করেই পার পেয়ে যাবেন। তা হতে পারে না–অন্তত এবার নয়। দেশপ্রেমী যে সকল ভারতীয় বিশ্বাস করেন আমাদের শিক্ষার্থীরা বিচার পাওয়ার যোগ্য, আমি তাদের সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনা কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। ভারতের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা যাবে না।”
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।