চরচা ডেস্ক

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে এ বাজেট পাস করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হওয়ার পর, এই বাজেটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থরাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উত্থাপিত প্রথম এই বাজেটটি চলতি অর্থবছরের ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের চেয়ে ১৯ শতাংশ বড়।
বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। অন্যদিকে, সামগ্রিক বাজেটের আকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রাক্কলিত জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ।
সরকারের অর্থনৈতিক রোডম্যাপের অংশ হিসেবে, অর্থরাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যকে ত্বরান্বিত করতে একটি ‘৩আর স্ট্র্যাটেজি’ উন্মোচন করেছেন।
এর আগে সোমবার, সংসদ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ ‘অর্থবিল, ২০২৬’ পাস করে। এর মধ্যে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতার বিধান বাতিল করার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।
নির্দিষ্টকরণ বিল পাসের আগে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির মাধ্যমে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
সংসদ বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের দেওয়া ১ হাজার ৩৪৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ করে দেয়।
জামায়াত, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যসহ মোট ৪৩ জন সংসদ সদস্য এই ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো পেশ করেন এবং ৩৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।
বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের অনুরোধে স্পিকার ‘গিলোটিন’ প্রয়োগ করে মঞ্জুরি দাবিগুলো দ্রুত পাস করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
নির্দিষ্টকরণ বিলটি পাসের সময় বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা সংসদে উপস্থিত ছিলেন এবং এর ওপর কোনো আপত্তি জানাননি।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে এ বাজেট পাস করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হওয়ার পর, এই বাজেটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থরাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উত্থাপিত প্রথম এই বাজেটটি চলতি অর্থবছরের ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের চেয়ে ১৯ শতাংশ বড়।
বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। অন্যদিকে, সামগ্রিক বাজেটের আকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রাক্কলিত জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ।
সরকারের অর্থনৈতিক রোডম্যাপের অংশ হিসেবে, অর্থরাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যকে ত্বরান্বিত করতে একটি ‘৩আর স্ট্র্যাটেজি’ উন্মোচন করেছেন।
এর আগে সোমবার, সংসদ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ ‘অর্থবিল, ২০২৬’ পাস করে। এর মধ্যে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতার বিধান বাতিল করার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।
নির্দিষ্টকরণ বিল পাসের আগে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির মাধ্যমে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
সংসদ বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের দেওয়া ১ হাজার ৩৪৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ করে দেয়।
জামায়াত, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যসহ মোট ৪৩ জন সংসদ সদস্য এই ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো পেশ করেন এবং ৩৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।
বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের অনুরোধে স্পিকার ‘গিলোটিন’ প্রয়োগ করে মঞ্জুরি দাবিগুলো দ্রুত পাস করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
নির্দিষ্টকরণ বিলটি পাসের সময় বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা সংসদে উপস্থিত ছিলেন এবং এর ওপর কোনো আপত্তি জানাননি।