চরচা প্রতিবেদক

মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসার জন্য আজ রোববার সকালে তাকে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) নেওয়া হয়েছে।
কারা সদর দপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ চরচাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘‘আজ রোববার ভোরে দীপু মনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার শারিরীক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।’’
সম্প্রতি, চাঁদপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা এবং বিএনপি নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় দীপু মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা এলাকা দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসার জন্য আজ রোববার সকালে তাকে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) নেওয়া হয়েছে।
কারা সদর দপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ চরচাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘‘আজ রোববার ভোরে দীপু মনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার শারিরীক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।’’
সম্প্রতি, চাঁদপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা এবং বিএনপি নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় দীপু মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা এলাকা দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।