চরচা ডেস্ক

২০২২ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের অভিজ্ঞতা সুখকর না হলেও এবার ছিল বড় আশা। সদ্যই পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটে হারিয়ে দলটাও ছিল ফর্মে। তবে টেস্টের পর ওয়ানডেতেও বাংলাদেশকে ডোবালেন ব্যাটসম্যানরা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসে হল সর্বনাশ। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৫০ ওভারের সিরিজে হেরে গেল বাংলাদেশ।
তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৪৮ রান তাড়া করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে গেছে ২৩৪ রানে। জিম্বাবুয়ের লিড ২-০ ব্যবধানে।
রান তাড়ায় বাংলাদেশকে শুরুতেই বিপদে ফেলে দেন সৌম্য সরকার। একের পর এক সুযোগ পেলেও নিজের আন্মের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি। এই ইনিংসে মাত্র ৫ রানেই বিদায় নেন তিনি। নিজের শেষ পাঁচ ইনিংসে সব মিলিয়ে ৫০ রানও করতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান।
টেস্ট সিরিজ থেকেই ধীরগতির ব্যাটিং করা নাজমুল হোসেন ব্যর্থতার ধারা বজায় রেখেছেন এই ম্যাচেও। ৯ রানের ইনিংস শেষ হয় ব্র্যাড ইভান্সের বলে ইনসাইড-এজ হয়ে ক্যাচ দিয়ে।
শুরুর এই চাপ সামলে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তানজিদ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। ৩ রানে থাকা অবস্থায় রান-আউটের সুযোগ দিয়েও বেঁচে যান। ইনিংসের শুরুটা কিছুটা ধীরে করলেও তানজিদ পরে রানে দেন গতি। ৫৯ বলে পা রাখেন ফিফটিতে।
জুটিতেও হয়ে যায় ফিফটি। তবে এরপরই ভুল সময়ে আউট হয়ে যান। অফ স্পিনার ব্রায়ান ব্রেনেটকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান ৫৭ রানে। ৮৩ বলে পঞ্চাশ করা তাওহীদ দলকে চাপেই ফেলে দেন ধীরলয়ের ব্যাটিংয়ে।
সেট হয়ে ইনিংস বড় করার বদলে চাপ বাড়িয়ে সাজঘরের পথ ধরেন তাওহীদও। ৬০ রানে তার বিদায়ের পর আশা হয়ে ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। ইতিবাচক ব্যাটিং করছিলেন একমাত্র তিনিই।
তবে আরও একবার যখন ম্যাচ শেষ করাটা মূল দায়িত্ব, তখনই তিনি উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। ৪১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসের ইতি ঘটে রিচার্ড এনগারাভার বলে লং লেগে ক্যাচ দিয়ে।
এরপর মূল লড়াই ছিল মিরাজের সঙ্গে জিম্বাবুয়ের বোলারদের। কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনিও। উল্টো ১৫ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে হেরেই যায় তার দল।
এর আগে বল হাতেও যথেষ্ট ভুল করে জিম্বাবুয়েকে লড়াকু স্কোরে যাওয়ার সুযোগ করে দেন বোলাররা। ৬৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পরও ওপেনার বেন কারানের শতকে জেতার মত রান বোর্ডে জমা করে ফেলে দলটি।
সঙ্গে বাংলাদেশের পেসারদের শেষের দিকে বাজে বোলিংয়ে ঝড় তোলেন ইভান্ত। তার ৫৮ রানের ক্যামিও ইনিংস পরে গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য।

২০২২ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের অভিজ্ঞতা সুখকর না হলেও এবার ছিল বড় আশা। সদ্যই পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটে হারিয়ে দলটাও ছিল ফর্মে। তবে টেস্টের পর ওয়ানডেতেও বাংলাদেশকে ডোবালেন ব্যাটসম্যানরা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসে হল সর্বনাশ। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ৫০ ওভারের সিরিজে হেরে গেল বাংলাদেশ।
তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৪৮ রান তাড়া করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে গেছে ২৩৪ রানে। জিম্বাবুয়ের লিড ২-০ ব্যবধানে।
রান তাড়ায় বাংলাদেশকে শুরুতেই বিপদে ফেলে দেন সৌম্য সরকার। একের পর এক সুযোগ পেলেও নিজের আন্মের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি। এই ইনিংসে মাত্র ৫ রানেই বিদায় নেন তিনি। নিজের শেষ পাঁচ ইনিংসে সব মিলিয়ে ৫০ রানও করতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান।
টেস্ট সিরিজ থেকেই ধীরগতির ব্যাটিং করা নাজমুল হোসেন ব্যর্থতার ধারা বজায় রেখেছেন এই ম্যাচেও। ৯ রানের ইনিংস শেষ হয় ব্র্যাড ইভান্সের বলে ইনসাইড-এজ হয়ে ক্যাচ দিয়ে।
শুরুর এই চাপ সামলে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তানজিদ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। ৩ রানে থাকা অবস্থায় রান-আউটের সুযোগ দিয়েও বেঁচে যান। ইনিংসের শুরুটা কিছুটা ধীরে করলেও তানজিদ পরে রানে দেন গতি। ৫৯ বলে পা রাখেন ফিফটিতে।
জুটিতেও হয়ে যায় ফিফটি। তবে এরপরই ভুল সময়ে আউট হয়ে যান। অফ স্পিনার ব্রায়ান ব্রেনেটকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান ৫৭ রানে। ৮৩ বলে পঞ্চাশ করা তাওহীদ দলকে চাপেই ফেলে দেন ধীরলয়ের ব্যাটিংয়ে।
সেট হয়ে ইনিংস বড় করার বদলে চাপ বাড়িয়ে সাজঘরের পথ ধরেন তাওহীদও। ৬০ রানে তার বিদায়ের পর আশা হয়ে ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। ইতিবাচক ব্যাটিং করছিলেন একমাত্র তিনিই।
তবে আরও একবার যখন ম্যাচ শেষ করাটা মূল দায়িত্ব, তখনই তিনি উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। ৪১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসের ইতি ঘটে রিচার্ড এনগারাভার বলে লং লেগে ক্যাচ দিয়ে।
এরপর মূল লড়াই ছিল মিরাজের সঙ্গে জিম্বাবুয়ের বোলারদের। কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনিও। উল্টো ১৫ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে হেরেই যায় তার দল।
এর আগে বল হাতেও যথেষ্ট ভুল করে জিম্বাবুয়েকে লড়াকু স্কোরে যাওয়ার সুযোগ করে দেন বোলাররা। ৬৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পরও ওপেনার বেন কারানের শতকে জেতার মত রান বোর্ডে জমা করে ফেলে দলটি।
সঙ্গে বাংলাদেশের পেসারদের শেষের দিকে বাজে বোলিংয়ে ঝড় তোলেন ইভান্ত। তার ৫৮ রানের ক্যামিও ইনিংস পরে গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য।