চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ‘আজ রাতেই’ ইরানে ‘খুব জোরালো’ হামলা চালাবে। তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। বিবিসিতে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আজ রাতেই ইরানে খুব জোরালো আঘাত করতে যাচ্ছে (ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, রাডার, বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সমস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের বেশিরভাগ আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ইতিমধ্যেই খতম হয়ে গেছে!)”
ট্রুথ সোশ্যালে ঐ পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেছেন যে তিনি খার্গ দ্বীপটি ‘নিজেদের দখলে’ নেবেন। তিনি দাবি করেন যে তারা ইরানের তেল ও গ্যাস বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেবেন, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে করা হয়েছে।
ইরানের উপকূলে অবস্থিত এই ছোট দ্বীপটিতে দেশটির একটি প্রধান তেল টার্মিনাল রয়েছে, যাকে দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
গত ১৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালায়, যার পর ট্রাম্প বলেছিলেন যে মার্কিন বাহিনী সেখানকার প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করা হয়েছে। সে সময় দ্বীপটির তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত থাকা হলেও তিনি পরবর্তীতে আরও মার্কিন পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন।
দ্বীপটি দখল করা হলে তা ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ হতে যেতে পারে এবং মূল ভূখণ্ডে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি ঘাঁটি তৈরি করতে পারে।
হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে ইরানকে বাধ্য করার জন্য একটি বড় হাতিয়ার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপটিকে ব্যবহার করতে পারে।
তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং একটি মার্কিন ল্যান্ডিং ফোর্সকে নৌযান অথবা বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ‘আজ রাতেই’ ইরানে ‘খুব জোরালো’ হামলা চালাবে। তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। বিবিসিতে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আজ রাতেই ইরানে খুব জোরালো আঘাত করতে যাচ্ছে (ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, রাডার, বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সমস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের বেশিরভাগ আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ইতিমধ্যেই খতম হয়ে গেছে!)”
ট্রুথ সোশ্যালে ঐ পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেছেন যে তিনি খার্গ দ্বীপটি ‘নিজেদের দখলে’ নেবেন। তিনি দাবি করেন যে তারা ইরানের তেল ও গ্যাস বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেবেন, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে করা হয়েছে।
ইরানের উপকূলে অবস্থিত এই ছোট দ্বীপটিতে দেশটির একটি প্রধান তেল টার্মিনাল রয়েছে, যাকে দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
গত ১৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালায়, যার পর ট্রাম্প বলেছিলেন যে মার্কিন বাহিনী সেখানকার প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করা হয়েছে। সে সময় দ্বীপটির তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত থাকা হলেও তিনি পরবর্তীতে আরও মার্কিন পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন।
দ্বীপটি দখল করা হলে তা ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ হতে যেতে পারে এবং মূল ভূখণ্ডে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি ঘাঁটি তৈরি করতে পারে।
হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে ইরানকে বাধ্য করার জন্য একটি বড় হাতিয়ার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপটিকে ব্যবহার করতে পারে।
তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং একটি মার্কিন ল্যান্ডিং ফোর্সকে নৌযান অথবা বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।