চরচা ডেস্ক

গ্রেপ্তারের এক দিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানায় কারাগার কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, অসুস্থ হওয়ার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুরুল আলমের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মৃত নূরুল আলমের বড় বোন বকুলি বেগম ও ভগ্নিপতি অভিযোগ করেন, “রাজনৈতিক কারণে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ব্যবসায়িক কারণে এলাকার একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করিয়েছে। তাকে আটকের পর ডিবি পুলিশ নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। এর আগেও তাকে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।”
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একটি মামলায় নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গ্রেপ্তারের এক দিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানায় কারাগার কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, অসুস্থ হওয়ার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুরুল আলমের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মৃত নূরুল আলমের বড় বোন বকুলি বেগম ও ভগ্নিপতি অভিযোগ করেন, “রাজনৈতিক কারণে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ব্যবসায়িক কারণে এলাকার একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করিয়েছে। তাকে আটকের পর ডিবি পুলিশ নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। এর আগেও তাকে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।”
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একটি মামলায় নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঘটনার তদন্ত চলছে। নতুন করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”