চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে অতিরিক্ত ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে রূপপুরসহ মোট ২৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির মূল উন্নয়ন প্রস্তাবে (ডিপিপি) ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। বর্তমানে সংশোধিত ডিপিপিতে এটি ২২.৬৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা করা হয়েছে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছেন, ডলারের হিসেবে ব্যয় খুব বেশি না বাড়লেও টাকার অঙ্কে এই বৃদ্ধি অনেক বেশি মনে হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই বর্ধিত ব্যয়ের পুরো অর্থই প্রকল্প ঋণ থেকে সংস্থান করা হবে।
২০১৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও করোনা অতিমারী এবং পরবর্তীতে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে কাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়। ২০২১ সালে একটি ইউনিট উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ শেষ করার নতুন সময়সীমা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিনের একনেক বৈঠকে অনুমোদিত মোট ২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বমোট ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ (৩২ হাজার ৯৮ কোটি টাকা) বৈদেশিক ঋণ থেকে মেটানো হবে, বাকি অর্থ সরকারি তহবিল ও সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে অতিরিক্ত ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে রূপপুরসহ মোট ২৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির মূল উন্নয়ন প্রস্তাবে (ডিপিপি) ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। বর্তমানে সংশোধিত ডিপিপিতে এটি ২২.৬৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা করা হয়েছে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছেন, ডলারের হিসেবে ব্যয় খুব বেশি না বাড়লেও টাকার অঙ্কে এই বৃদ্ধি অনেক বেশি মনে হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই বর্ধিত ব্যয়ের পুরো অর্থই প্রকল্প ঋণ থেকে সংস্থান করা হবে।
২০১৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও করোনা অতিমারী এবং পরবর্তীতে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে কাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়। ২০২১ সালে একটি ইউনিট উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ শেষ করার নতুন সময়সীমা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিনের একনেক বৈঠকে অনুমোদিত মোট ২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বমোট ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ (৩২ হাজার ৯৮ কোটি টাকা) বৈদেশিক ঋণ থেকে মেটানো হবে, বাকি অর্থ সরকারি তহবিল ও সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।