চরচা প্রতিবেদক

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভীকে জামিন দেননি আদালত।
আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালতে জাহের আলভীর পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
গত ৩০ জুন এ মামলায় আলভী দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ১৮ জুন জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২১ জুন আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় নিজ বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মামলায় বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।
আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
আলভীর মা নাসরিন সুলতানা গত ৪ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভীকে জামিন দেননি আদালত।
আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালতে জাহের আলভীর পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
গত ৩০ জুন এ মামলায় আলভী দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ১৮ জুন জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২১ জুন আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ জুন তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় নিজ বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মামলায় বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।
আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
আলভীর মা নাসরিন সুলতানা গত ৪ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।