চরচা ডেস্ক

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে শুরু হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমমান পরীক্ষাও। এবার সব মিলিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।
গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
লিখিত বক্তব্যে সচিব জানান, দেশজুড়ে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সচিব জানান, ৯টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। এবারের পরীক্ষায় ছাত্রের সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। এর মানে ছাত্রদের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যেদিন পরীক্ষা থাকবে না, সেদিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
সচিব আবদুল খালেক জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে দেশের সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। এই সেলে বসে দেশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ‘বডি অন ক্যামেরা’ থাকবে। যা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা রোধে ভূমিকা রাখবে।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, প্রশ্নপত্র সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ায় বা ফাঁসের চেষ্টা করে, তবে সংশোধিত ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০’অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হয়েছে। কেন্দ্রে যেকোনো অনিয়মের জন্য কেন্দ্র সচিব ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
কোনো শিক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে শুরু হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমমান পরীক্ষাও। এবার সব মিলিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।
গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
লিখিত বক্তব্যে সচিব জানান, দেশজুড়ে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সচিব জানান, ৯টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। এবারের পরীক্ষায় ছাত্রের সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। এর মানে ছাত্রদের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যেদিন পরীক্ষা থাকবে না, সেদিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
সচিব আবদুল খালেক জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে দেশের সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। এই সেলে বসে দেশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ‘বডি অন ক্যামেরা’ থাকবে। যা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা রোধে ভূমিকা রাখবে।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, প্রশ্নপত্র সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ায় বা ফাঁসের চেষ্টা করে, তবে সংশোধিত ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০’অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হয়েছে। কেন্দ্রে যেকোনো অনিয়মের জন্য কেন্দ্র সচিব ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
কোনো শিক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টসহ একটি প্রতিনিধি দল। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি সাক্ষাৎ করে।