চরচা ডেস্ক

বর্তমান যুগে ছেলে-মেয়েরা বিয়ের মতো ব্যাপারে নিজের পছন্দকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। এমনকি পরিবার থেকেও বিষয়টি অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসেও এমন জায়গা রয়েছে, যেখানে নিজের পছন্দে বিয়ে করার শাস্তি হতে পারে পরিবারকে ‘একঘরে’ করে রাখা!
শুনতে অবাক লাগলেও এমন জায়গা আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতেই রয়েছে। সংবিধানের ব্যক্তিস্বাধীনতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাতলাম জেলায় জনসম্মুখে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, নিজের পছন্দে বিয়ে করা সন্তানদের পরিবারকে সামাজিক বয়কট করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পানচেওয়া গ্রামে এই ঘোষণা দেওয়ার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক বিতর্ক ওঠে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রামবাসীদের এক বড় সমাবেশে এক যুবক প্রকাশ্যে ‘গ্রাম ফরমান’ পাঠ করে শোনাচ্ছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো ছেলে বা মেয়ে পালিয়ে গিয়ে নিজের পছন্দে বিয়ে করলে শুধু তারাই নয়, তাদের পুরো পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হবে। ফরমানটিতে সম্পূর্ণ সামাজিক বয়কটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন পরিবারকে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে না, দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস দেওয়া হবে না, তারা কাউকে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করতে বা নিজেরাও কাজ করতে পারবে না। এমনকি গ্রামের সব ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।
হুমকি এখানেই শেষ নয়। গ্রামে কেউ ওই পরিবারগুলোর কাছ থেকে জমি ইজারা নেবে না। কেউ তাদের বাড়িতে কাজ করবে না। কেউ যদি বয়কট করা পরিবারের কোনো সদস্যকে কাজ দেয়, তাকেও একই শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এমনকি যারা নিজের পছন্দে বিয়ে করা যুগলকে সাহায্য করবে, আশ্রয় দেবে বা বিয়ের সাক্ষী হবে, তাদেরও সামাজিকভাবে একঘরে করে দেওয়া হবে।
এমনকি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনটি পরিবারের কর্তাব্যক্তিদের নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের কেউ সমর্থন করলে সেই পরিবারও সামাজিকভাবে বয়কটের মুখে পড়বে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন তৎপর হয়। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা জনপদ সিইও ও পাটোয়ারি গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের ভাষ্য, সামাজিক বয়কট বেআইনি ও সংবিধানবিরোধী।
এ বিষয়ে সন্দীপ মালভিয়া নামে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারতের আইন অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী নারী এবং ২১ বছর বয়সী পুরুষের নিজ পছন্দে বিয়ে করার অধিকার রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে সামাজিক বয়কট ও পঞ্চায়েত-ধাঁচের ওই ফরমানকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে প্রেমের বিয়েতে জড়িত প্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বও রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান যুগে ছেলে-মেয়েরা বিয়ের মতো ব্যাপারে নিজের পছন্দকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। এমনকি পরিবার থেকেও বিষয়টি অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসেও এমন জায়গা রয়েছে, যেখানে নিজের পছন্দে বিয়ে করার শাস্তি হতে পারে পরিবারকে ‘একঘরে’ করে রাখা!
শুনতে অবাক লাগলেও এমন জায়গা আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতেই রয়েছে। সংবিধানের ব্যক্তিস্বাধীনতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাতলাম জেলায় জনসম্মুখে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, নিজের পছন্দে বিয়ে করা সন্তানদের পরিবারকে সামাজিক বয়কট করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পানচেওয়া গ্রামে এই ঘোষণা দেওয়ার সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক বিতর্ক ওঠে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রামবাসীদের এক বড় সমাবেশে এক যুবক প্রকাশ্যে ‘গ্রাম ফরমান’ পাঠ করে শোনাচ্ছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো ছেলে বা মেয়ে পালিয়ে গিয়ে নিজের পছন্দে বিয়ে করলে শুধু তারাই নয়, তাদের পুরো পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হবে। ফরমানটিতে সম্পূর্ণ সামাজিক বয়কটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন পরিবারকে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে না, দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস দেওয়া হবে না, তারা কাউকে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করতে বা নিজেরাও কাজ করতে পারবে না। এমনকি গ্রামের সব ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।
হুমকি এখানেই শেষ নয়। গ্রামে কেউ ওই পরিবারগুলোর কাছ থেকে জমি ইজারা নেবে না। কেউ তাদের বাড়িতে কাজ করবে না। কেউ যদি বয়কট করা পরিবারের কোনো সদস্যকে কাজ দেয়, তাকেও একই শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এমনকি যারা নিজের পছন্দে বিয়ে করা যুগলকে সাহায্য করবে, আশ্রয় দেবে বা বিয়ের সাক্ষী হবে, তাদেরও সামাজিকভাবে একঘরে করে দেওয়া হবে।
এমনকি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনটি পরিবারের কর্তাব্যক্তিদের নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের কেউ সমর্থন করলে সেই পরিবারও সামাজিকভাবে বয়কটের মুখে পড়বে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন তৎপর হয়। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা জনপদ সিইও ও পাটোয়ারি গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের ভাষ্য, সামাজিক বয়কট বেআইনি ও সংবিধানবিরোধী।
এ বিষয়ে সন্দীপ মালভিয়া নামে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারতের আইন অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী নারী এবং ২১ বছর বয়সী পুরুষের নিজ পছন্দে বিয়ে করার অধিকার রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে সামাজিক বয়কট ও পঞ্চায়েত-ধাঁচের ওই ফরমানকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে প্রেমের বিয়েতে জড়িত প্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বও রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে।