চরচা ডেস্ক

প্রথম ওয়ানডের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও পেসাররা শুরুটা করলেন ভালো। তবে এবার আর জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ভেঙে পড়েনি। ব্যাটিংয়ের জন্য দুরূহ কন্ডিশনে বেন কারান বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের শেখানেল, কীভাবে চাপের মুখে ব্যাট করতে হয়। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে সফরকারীদের এনে দিলেন এমন একটা স্কোর, যা পাড়ি দিতে মেহেদি হাসান মিরাজের দলের পড়তে হতে পারে কঠিন চ্যালেঞ্জের।
হারারেতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিং নেয় বাংলাদেশ। কারানের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ে বোর্ডে জমা করেছে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান।
প্রথম ওভারে উইকেট পাওয়াটা অভ্যাস বানিয়ে ফেলা তাসকিন আহমেদ আরও একবার একই কাজ করেন। ক্লিন বোল্ড করেন ব্রায়ান ব্রেনেটকে। এক ওভার বাদে ইনোসেন্ট কাইয়াকেও শিকার বানান অভিজ্ঞ এই পেসার।
আক্রমণে এসেই সফলতা পান নাহিদও। ইনিংসের শুরু থেকেই সংগ্রাম করা ক্রেইগ এরভিনকে রাউন্ড দ্য উইকেটে গিয়ে উড়িয়ে দেন স্ট্যাম্প। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ওয়েসলি মাধেভেরে ও কারান মিলে।
অধিনায়ক মিরাজের অফ স্পিনে মেলে সাফল্য। মাধেভেরেকে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ১৫ রানে। এরপর অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাকে নিয়ে কারান দেখান, কীভাবে বিরুদ্ধ কন্ডিশনে ব্যাটিং করতে হয়।
জুটি যখনই জমে যাচ্ছিল, তখনই হাজির মিরাজ। কভারে তাওহীদ হৃদয়কে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান সেট ব্যাটসম্যান রাজা (৩৩)। পেসাররা বাউন্স পাওয়ায় রান করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল। তবে কারান একাই সেই লড়াইয়ে চূড়ান্ত নিবেদন দেখিয়ে ব্যাটিং করে যান ইনিংসের শেষ অবধি।
৪৬তম ওভারে তাসকিনকে চার মেরে কারান পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি। তবে শেষের ঝড়টা তোলেন মূলত ব্র্যাড ইভান্স। তাসকিনের করা ইনিংসের শেষ ওভারে ৩ ছক্কা ও এক চারে আদায় করেন ২২ রান। তাতে প্রায় আড়াইশ ছুঁইছুঁই স্কোর পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
মাত্র ৩৮ বলে ৫৮ রান করেন ইভান্স। আর কারান অপরাজিত থাকেন ১১১ রানে। ৩২ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার মিরাজ।

প্রথম ওয়ানডের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও পেসাররা শুরুটা করলেন ভালো। তবে এবার আর জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ভেঙে পড়েনি। ব্যাটিংয়ের জন্য দুরূহ কন্ডিশনে বেন কারান বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের শেখানেল, কীভাবে চাপের মুখে ব্যাট করতে হয়। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে সফরকারীদের এনে দিলেন এমন একটা স্কোর, যা পাড়ি দিতে মেহেদি হাসান মিরাজের দলের পড়তে হতে পারে কঠিন চ্যালেঞ্জের।
হারারেতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিং নেয় বাংলাদেশ। কারানের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ে বোর্ডে জমা করেছে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান।
প্রথম ওভারে উইকেট পাওয়াটা অভ্যাস বানিয়ে ফেলা তাসকিন আহমেদ আরও একবার একই কাজ করেন। ক্লিন বোল্ড করেন ব্রায়ান ব্রেনেটকে। এক ওভার বাদে ইনোসেন্ট কাইয়াকেও শিকার বানান অভিজ্ঞ এই পেসার।
আক্রমণে এসেই সফলতা পান নাহিদও। ইনিংসের শুরু থেকেই সংগ্রাম করা ক্রেইগ এরভিনকে রাউন্ড দ্য উইকেটে গিয়ে উড়িয়ে দেন স্ট্যাম্প। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ওয়েসলি মাধেভেরে ও কারান মিলে।
অধিনায়ক মিরাজের অফ স্পিনে মেলে সাফল্য। মাধেভেরেকে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ১৫ রানে। এরপর অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাকে নিয়ে কারান দেখান, কীভাবে বিরুদ্ধ কন্ডিশনে ব্যাটিং করতে হয়।
জুটি যখনই জমে যাচ্ছিল, তখনই হাজির মিরাজ। কভারে তাওহীদ হৃদয়কে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান সেট ব্যাটসম্যান রাজা (৩৩)। পেসাররা বাউন্স পাওয়ায় রান করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল। তবে কারান একাই সেই লড়াইয়ে চূড়ান্ত নিবেদন দেখিয়ে ব্যাটিং করে যান ইনিংসের শেষ অবধি।
৪৬তম ওভারে তাসকিনকে চার মেরে কারান পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি। তবে শেষের ঝড়টা তোলেন মূলত ব্র্যাড ইভান্স। তাসকিনের করা ইনিংসের শেষ ওভারে ৩ ছক্কা ও এক চারে আদায় করেন ২২ রান। তাতে প্রায় আড়াইশ ছুঁইছুঁই স্কোর পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
মাত্র ৩৮ বলে ৫৮ রান করেন ইভান্স। আর কারান অপরাজিত থাকেন ১১১ রানে। ৩২ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার মিরাজ।