চরচা ডেস্ক

পবিত্র রমজান মাসে নামাজে মসজিদের বাইরে লাউডস্পিকার ব্যবহারে আবারও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়া অ্যান্ড গাইডেন্স মন্ত্রী শেখ আবদুল লতিফ আল-শেখ এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় থেকে পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি উপলক্ষে একগুচ্ছ নির্দেশনাসংবলিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শেখ আবদুল লতিফ বলেন, শুধু আজান ও ইকামতে মসজিদের বাইরের লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে।
নির্দেশনায় উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নামাজের সঠিক সময় মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে এশার নামাজের সময়সূচি ঠিক রাখা এবং প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, শুধু মসজিদের আঙিনার নির্ধারিত স্থানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি মসজিদের খাদেম ও রক্ষণাবেক্ষণ দলকে পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোর তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের নামাজের জায়গার দিকে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।
পবিত্র রমজানে আশপাশের মানুষের অসুবিধা না করে মুসল্লিদের জন্য একটি শান্ত, সুশৃঙ্খল ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেছে সৌদির মন্ত্রণালয়।

পবিত্র রমজান মাসে নামাজে মসজিদের বাইরে লাউডস্পিকার ব্যবহারে আবারও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়া অ্যান্ড গাইডেন্স মন্ত্রী শেখ আবদুল লতিফ আল-শেখ এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় থেকে পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি উপলক্ষে একগুচ্ছ নির্দেশনাসংবলিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শেখ আবদুল লতিফ বলেন, শুধু আজান ও ইকামতে মসজিদের বাইরের লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে।
নির্দেশনায় উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নামাজের সঠিক সময় মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে এশার নামাজের সময়সূচি ঠিক রাখা এবং প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, শুধু মসজিদের আঙিনার নির্ধারিত স্থানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি মসজিদের খাদেম ও রক্ষণাবেক্ষণ দলকে পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোর তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের নামাজের জায়গার দিকে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।
পবিত্র রমজানে আশপাশের মানুষের অসুবিধা না করে মুসল্লিদের জন্য একটি শান্ত, সুশৃঙ্খল ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেছে সৌদির মন্ত্রণালয়।